দেশীয় পোশাকের চাহিদা কমেনি
রাবেয়া বেবী০৪ জুন, ২০১৮ ইং
দেশীয় পোশাকের চাহিদা কমেনি

 ‘পাঞ্জাবির কথা হলে আমি আড়ং ছাড়া অন্য কিছু ভাবি না। আর ঈদের সাথে যেহেতু পাঞ্জাবির একটা সম্পর্ক আছে তাই পাঞ্জাবিটা সেখান থেকেই কেনা হয়।’ এভাবেই পাঞ্জাবি নিয়ে নিজের কথা বললেন সরকারি কর্মকতা নাদিম। তিনি জানান, তার পোশাক কেনায় আড়ং প্রাধান্য পায়। দেশীয় এই ব্র্যান্ড মান ও দাম দুই ভালো। গতকাল নগরীর বসুন্ধরা সিটির দেশীদশ, আড়ং এবং বেশ কিছু দেশি পোশাকের দোকান ঘুরে দেখা গেল দেশীয় পোশাকের চাহিদা কমেনি।

‘দেশীদশে’ আসা উন্নয়নকর্মী মেহেরিমা রহমান জানান, ঈদের পোশাক কেনাকাটার জন্য তিনি সবসময় দেশীয় ব্র্যান্ডকে প্রাধান্য দেন। আর নিজের জন্য সব সময় আড়ংকে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, দেশীয় পোশাক কিনলে নিজের মধ্যে একটা দেশাত্মবোধ কাজ করে। অনেক সময় বিদেশি পোশাকের চেয়ে দেশীয় পোশাকের দাম বেশি হয়। কিন্তু আমি মনে করি যে বোধ থেকে আমরা দেশীয় পোশাককে গুরুত্ব দেই সেখানে দামটা ম্যাটার করে না।

‘দেশীদশের’ কে ক্র্যাফ্ট শাখা ব্যবস্থাপক নাসির হোসেন জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তাদের ঈদ-বেচাকেনা জমে উঠেছে। এই মুহূর্তে তাদের সিঙ্গেল কামিজ ও সালোয়ার কামিজের চাহিদা বেশি। সকাল থেকে দুপুর বিকালে যেমন ক্রেতা থাকে তেমনি ইফতারের পরও ভিড় থাকে। কেমন ডিজাইন আর কাপড়ের ওপর এবার তারা গুরুত্ব দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে রঙের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম হিরা বলেন, এ বছর ঈদকে সামনে রেখে তারা তিনটা মোটিভ নিয়ে কাজ করেছেন। জ্যামিতিক, ইসলামিক এবং ফ্লোরা এই তিন মোটিভের সাথে ম্যাটার হিসেবে তারা ব্যবহার করেছেন তাঁত, সিল্ক, হাফ সিল্ক, এন্ড্রি সিল্ক, দোয়েল সিল্ক-এর মতো দেশীয় ম্যাটেরিয়াল। ডিজাইনের ক্ষেত্রে তারা সুতার কাজের সাথে ব্লক-বাটিককে প্রাধান্য দিয়েছেন। এ বছর ঈদটা হচ্ছে গরমে আবার সাথে আছে বৃষ্টিও, তাই এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে দেশীয় বুটিক হাউজগুলো রঙ নির্বাচন করেছে। পোশাকে কমলা, বেগুনি, আকাশী, গোলাপি, সবুজ, লাল প্রভৃতি রঙের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়। দেশীয় শাড়ি, সালোয়ার কামিজ আর পাঞ্জাবির ক্রেতা বেশি বলে জানান দোকানিরা। দোকানগুলো ঘুরেও তাই দেখা গেল।

সাদাকালোর এরিয়া ম্যানেজার সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, এখনো তাদের ক্রেতা একটু কম। তবে দেশি এই ব্র্যান্ডগুলো ভালো বাজার দখল করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ক্রেতারা। তারা বলেন, দুই একটি ব্যতিক্রম ব্যতীত এই দোকানগুলোতে মান সম্পন্ন ও ফ্যাশনেবল পোশাক পাওয়া যায়। এসব দেশীয় দোকান থেকে সিঙ্গেল কামিজ কেনা যাবে ৮৫০ টাকা থেকে ৯ হাজার ৫শ টাকায়। সালোয়ার-কামিজ পাওয়া যাবে ১৮৫০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে। এখানে তাঁতের বা সুতি ব্লক করা শাড়ি কিনতে ব্যয় হবে এক হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা। সিল্ক, কাতান, জামদানি শাড়ি দাম শুরু হবে ৫ হাজার টাকা থেকে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৪ জুন, ২০২০ ইং
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৪৬
এশা৮:০৯
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪১
পড়ুন