চশমার বাহার
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ইং
চশমার বাহার
l বনি আমিন l

 

একটুখানি বাহ্যিক সৌন্দর্য বাড়াতে কত পরিকল্পনা এমনকি কতশত চেষ্টাই না করে থাকি আমরা। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে একটু ফিটফাট তথা সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার নেশা যেন সবাইকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসব যেন নিজেকে স্মার্ট হিসেবে ফুটিয়ে তোলার পাঁয়তারা, চলার পথে চেনা-অচেনা সবাইকেই তাক লাগিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা।

অমুক বন্ধুর জন্মদিন, তমুক আত্মীয়ের বিয়ে, ভার্সিটিতে অনুষ্ঠান, অবসর পেলে বিভিন্ন জাইগায় ঘোরাঘুরি—প্রত্যাহিক জীবনে এমন সব শিডিউলের বাইরে কেউ কাউকে ভাবতে পারেন কী?

আসলেই ভাবা সম্ভব না। আর তাই তো এ সমস্ত জায়গায় নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করবেন সেটাও একটা বড় ব্যাপার। কেননা, আজকাল আলমারিতে তুলে রাখা শার্ট-প্যান্ট কিংবা শাড়ি-কামিজটাকে কোনোরকমে গায়ে চাপিয়ে আড্ডা-অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া অথবা পছন্দের কোনো জায়গায় বেরিয়ে পড়া একরকম রীতির বাইরে চলে গেছে।

অর্থাত্ দামি পোশাক আর দামি গহনা কেনাটাই শেষ কথা না, সাথে চাই আনুষঙ্গিক আরও অনেক কিছু। এসব আনুষঙ্গিক উপকরণের মধ্যে নিজেকে আরও বেশি তারুণ্যদীপ্ত করে তুলতে চশমার গুরুত্ব বা আবেদনটা দিন দিন যেন বেড়েই চলছে। অর্থাত্ শুধু চোখের ত্রুটি দূর করা নয়, সৌন্দর্য বাড়াতেও আজকাল চশমার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

আর সেজন্যই হয়তো বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র মামুন তার চশমার স্টাইলের কথা জানালেন এভাবে, ‘প্রতিদিন যখন বাইরে বের হওয়ার সময় মোবাইল ফোনের সাথে হাতে ম্যাচিং চশমা না থাকলে খালি খালি মনে হয়। তবে এক্ষেত্রে আমার কালারফুল পোশাকের সাথে মিলিয়ে কালারফুল ফ্রেমের চশমাগুলো পরতেই বেশি ভালো লাগে।’

তাই তো পরিবেশ, পোশাক এবং বয়সের তারতম্যে ব্যবহার উপযোগী বিভিন্ন ফ্যাশনের চশমার সমাহার এখন বাজারে। দেখা যাক বর্তমানে কোন কোন ব্র্যান্ডের এবং ফ্রেমের চশমা পাওয়া যায় ও সেগুলোর দামের কী রকম ভিন্নতা।

শহরের বিভিন্ন অভিজাত দোকানগুলোতে গ্লাসের মধ্যে সাজানো এসব চশমার ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে কার্টিয়ার ব্র্যান্ডের চশমার দামটা বেশি। কাটতি তথা বিক্রির দিক দিয়ে কোন ব্র্যান্ডটা সবচেয়ে এগিয়ে জানতে চাইলে দোকানি আশরাফ মিয়া জানান, ‘রে-বনের চশমাটা বেশি চলে, কারণ রেবনের অনেক রকম ফ্রেম পাওয়া যায়। তাছাড়া, কাস্টমারের চোখের সাথে মানিয়ে গেলেই তখন তারা কিনে নেয়, সেটা যে ব্র্যান্ডই হোক না কেন।’

নানা রকমের স্টাইলিশ ফ্রেম ব্যবহার করে ফুটিয়ে তুলতে পারেন আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যের আরেক ধাপ। এক্ষেত্রে বাজারে দুই জাতের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চশমার ফ্রেম কিনতে পারেন। যেমন—

সেলুলাইড ফ্রেম

এর মধ্যে আবার নানা ব্র্যান্ডের পাওয়া যায় যেমন হানিও, স্পেয়ার, ভব, কার্ডিয়া, জাজিটা, ডায়র, গুচি, জিয়াছিবাও, লিকসইন, উবাছি। যেগুলো ২০০-৫০০০ দামে কিনতে পারেন নিজ নিজ সাধ্য ও পছন্দ অনুযায়ী।

মেটাল ফ্রেম

এগুলোর মধ্যে পাবেন ব্লু-লাইট, বেনিডিকট, জন, উইশিম্যান, স্পুট, ফ্রেডসহ নানা রকমের ব্র্যান্ডের চশমার ফ্রেম। যেগুলোর মধ্যে ফ্রেড ব্র্যান্ডের ফ্রেমের দামটা বেশি।

প্রাপ্তিস্থান

রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা শহরের নামিদামি শপিংমলের (বসুন্ধরা, যমুনা ফিউচার পার্ক, সায়েন্স ল্যাব) গ্লাস ঘেরা দোকানগুলোতে পাবেন আপনার পছন্দের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চশমার ফ্রেমগুলো।

তাছাড়া ফার্মগেট, নীলক্ষেত, গুলিস্তান ইত্যাদি এলাকার ফুটপথ দিয়ে হাঁটলেই হাঁকডাক শুরু হয়ে যায় মামা কিংবা আপু সম্বোধন করে, ‘যেইডা লাগে সেইডা লন!’

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৪:২৬
যোহর১১:৫৭
আসর৪:২৫
মাগরিব৬:১৩
এশা৭:২৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৩সূর্যাস্ত - ০৬:০৮
পড়ুন