বাগেশ্বরী পাহাড়ে চড়ে
২২ মে, ২০১৭ ইং
বাগেশ্বরী পাহাড়ে চড়ে
পিতা গোবিন্দচন্দ্র রায় ছিলেন এলাকার বিদ্যানুরাগী, নারী-শিক্ষার অগ্রদূত। ফলে সন্তান পারিবারিক সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে সংগীত ও সাহিত্যচর্চার বাতাবরণে বেড়ে উঠেছে। পারিবারিক লাইব্রেরিতে তার সাহিত্যানুরাগের উন্মেষ ঘটে। ছেলেবেলাতেই দৈনিক ইত্তেফাকের ‘কচি কাঁচার আসর’-এ লেখালেখি শুরু করেন।  কলেজে পড়াশোনার সময় কবি হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। মুকুল রায়ের শুরুর গল্পটা এমনই। ২০১১ সালে প্রকাশ হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘জীবন সংক্রান্ত শব্দ’। এ পর্যন্ত তার ‘মেঘ বালিকা’, ‘হূদয় ছিল বলে অনুপম সৌন্দর্য’, ‘মন বচন প্রবচন’সহ আরও একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ভারতের আসাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় লিখেছেন উপন্যাস ‘বাগেশ্বরী পাহাড়’। 

সম্প্রতি আসাম ভ্রমণ নিয়ে লেখা তার উপন্যাস ‘বাগেশ্বরী পাহাড়’-এর অসমিয়া ভাষায় প্রকাশনা উপলক্ষে আমন্ত্রিত হয়ে সংবর্ধনা নিয়ে ফেরেন তিনি। এই ভ্রমণোপন্যাসটি ব্লগে পাঠ করে আসামের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক সংগীতা বরুয়া শইকিয়া অনুমতি গ্রহণ করে এটি অসমিয়া ভাষায় ‘পাহাড়ি কন্যা বাগেশ্বরী’ নামে অনুবাদ করেন এবং এটির অসমিয়া ভাষার প্রকাশনা ও মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে কবিকে আমন্ত্রণ করেন। কবি সম্প্রতি মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে আসাম গেলে তাকে সস্ত্রীক বিপুলভাবে সংবর্ধিত করা হয় এবং আসাম ও মেঘালয়ের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করানো হয়। এছাড়াও অসমিয়া টিভিতে সাংবাদিক চন্দনজ্যোতি কলিতার সঞ্চালনা ও উপস্থাপনায় সংগীতা বরুয়ার উপস্থিতিতে অসমিয়া কবিদের নিয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়। তার এই আসাম ভ্রমণোপন্যাসটি ইংরাজিতে অনুবাদ হয়ে প্রকাশের অপেক্ষায় আছে এবং হিন্দি ভাষায় অনুবাদের কাজ চলছে।

তার ৬টি কাব্যগ্রন্থ, ২টি গল্পগ্রন্থ, ১টি ভ্রমণোপন্যাস ও ৭টি শিশুতোষ বইসহ এ পর্যন্ত প্রকাশিত মোট বইয়ের সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে আসাম ভ্রমণোপন্যাস ‘বাগেশ্বরী পাহাড়’ জনপ্রিয়তা অর্জন করায় ৫টি সংস্করণ প্রকাশ হয়েছে এবং প্রায় একবছর ধরে এটি কোলকাতা এবং শিলিগুড়ি থেকে একযোগে প্রচারিত দৈনিক ‘প্রয়াগ’ পত্রিকার সাহিত্যপাতায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২২ মে, ২০২০ ইং
ফজর৩:৪৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৪০
এশা৮:০১
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন