মঞ্চে শিবানী সুন্দরী
মীর জাহিদ হাসান০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
মঞ্চে শিবানী সুন্দরী
মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়ের মঞ্চনাটক ‘শিবানী সুন্দরী’ দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারো মঞ্চে এলো। এই নাটকটি প্রথম মঞ্চে আসে ২০০১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এবং ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৫টি মঞ্চায়ন হওয়ার পর নাটকটি আর প্রদর্শিত হয়নি। সালাম সাকলাইন রচিত ও দেবাশীষ ঘোষ নির্দেশিত ‘শিবানী সুন্দরী’ মহাকালের ১৭তম প্রযোজনা।

ঢাকার অন্যতম নাট্যদল নাট্যতীর্থ আয়োজিত নাট্যমেলাকে কেন্দ্র করে শিবানী সুন্দরী আবারো মঞ্চে এলো। গত ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় উত্সবের উদ্বোধনীতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে নাটকটি আবার মঞ্চায়িত হলো।

 নাটকটির নেপথ্য শিল্পীরা হলেন রচনায় সালাম সাকলাইন, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় দেবাশীষ ঘোষ, পুতুল নাচ নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণে খেলু মিয়া, মঞ্চ পরিকল্পনায় জুনায়েদ ইফসুফ, গান রচনা, সুর ও আবহসঙ্গীত পরিকল্পনায় শিশির রহমান, আলোক, প্রপস পরিকল্পনা ও নির্মাণ পলাশ হেনড্রি সেন, পোশাক পরিকল্পনায় শিশির সবুজ, কোরিওগ্রাফিতে ফারাবী আকন্দ হীরা, রূপসজ্জা পরিকল্পনায় শুভাশীষ দত্ত তন্ময় ও প্রযোজনা অধিকর্তা মীর জাহিদ হাসান। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সুরেলা নাজিম, বেবী শিকদার, ফারুক আহমেদ সেন্টু, বাবু স্বপ্নওয়ালা, রিফাত, বিপ্লব, মো. জাহাঙ্গীর, রাহুল, বাঁধন, মীর জাহিদ হাসান, মৈত্রী সরকার, সারমীন সুলতানা আশরা, শিবলী সরকার, সৈয়দ ফেরদৌস ইকরাম, সুফিয়া খানম শোভা, রাজিব হোসেন, তারকেশ্বর তারোক, শাহরিয়ার হোসেন পলিন, কবির আহমেদ, সামিউল জীবন, আসাদুজ্জামান রাফিন, ইকবাল চৌধুরী, ফারাবী আকন্দ হীরা ও সাইমুন।

নাটকটির গল্পে দেখা যায়, সোনামতি শহরে বনিক মনোহরের কন্যা রূপে-গুণে অনন্যা শিবানী সুন্দরী। সে ভালোবাসে ঋষি সদানন্দর পুত্র নন্দকুমারকে। কিন্তু ঋষি সদানন্দ এই সম্পর্কের কথা জেনে ভীষণ ক্রুব্ধ হন। কারণ তার ইচ্ছে নন্দ তারই মতো সন্ন্যাস ধর্ম পালন করে  আশ্রমের সেবা করুক। এ নিয়ে পিতা-পুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাঁধে। নন্দ ঋষির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে আশ্রম থেকে বিতাড়িত করেন। এছাড়াও জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে নাটকটিতে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন