শাস্ত্রীয় সঙ্গীত উত্সব
 

শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চাকে উজ্জীবিত করা ও গ্রামীণ জনপদে বাংলা গানের শ্রোতাদের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সঙ্গে পরিচয় ঘটানোর লক্ষ্যে গত শুক্রবার রাতে আয়োজন করা হয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত উত্সব-১৪২৩।

‘মধুর চিরসঙ্গীতে ধ্বনিত করো অন্তরে, ঝরিবে জীবনে মনে দিবানিশা সুধা নিঝর’ শ্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, জয়পুরহাট জেলা শাখা পৌর মিলনায়তনে এই শাস্ত্রীয় সঙ্গীত উত্সবের আয়োজন করে। জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে মোমের প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত উত্সবের উদ্বোধন করেন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে একুশে পদক প্রাপ্ত দেশবরেণ্য প্রবীণ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী। উত্সবের শুরুতেই তবলা লহরা (একক বাদন) পরিবেশন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. দীনবন্ধু পাল। ত্রি-তালে পরিবেশিত তবলা লহরার মধ্যে ছিল পেশকার, কায়দা, রেলা, লগিগ, উঠান, টুকরা, চক্রধার, পরণ ও গত্ । আবৃত্তিকার মোস্তাহেদ ফাররোখ ও বনশ্রী চাকীর সঞ্চালনায় উত্সবে ডা. জগদানন্দ রায় বাগেশ্রী রাগে খেয়াল পরিবেশন করলে দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে পড়েন। এছাড়াও বেহাল রাগে খেয়াল পরিবেশন করেন বিপুল কুমার, ভিন্ন সরজ রাগে ঠুমরী পরিবেশন করেন ডা. অনন্ত কুমার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক ল্যাডলী মোহন মৈত্র দুটি নৃত্য পরিবশন করেন। শরত্ কুমার পাল বাঁশিতে রাগ স্বরসতী ও মিশ্র পাহারী ধনু , যোগ রাগে বেহালায় গোবিন্দ কর্মকার ও অর্চনা প্রামাণিক খেয়াল পরিবেশন করেন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন