চ্যাম্পিয়ন্স বায়ার্ন
বুন্দেসলিগায় আধিপত্য, কিন্তু ইউরোপ?
স্পোর্টস ডেস্ক২২ মে, ২০১৭ ইং
বুন্দেসলিগায় আধিপত্য, কিন্তু ইউরোপ?
বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের আধিপত্য নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। গত শনিবার রাতে টানা পঞ্চমবারের মতো লিগ শিরোপা জয়ের আনুষ্ঠানিকতাও সেরে ফেলেছে বারভারিয়ানরা। কিন্তু এতটুকুতেই কি খুশি বায়ার্ন ভক্তরা?

ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডটকমে রোনান মারফির লেখার শিরোনাম এক্ষেত্রে একটা উত্তরের ইঙ্গিত দিতে পারে: বায়ার্ন মিউনিখ পরবর্তী ২০টি বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতবে, কিন্তু তাদের মূল চ্যালেঞ্জ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে।

জার্মান লিগটির দিকে তাকালে মারফির কথা আক্ষরিকভাবে সত্য না হলেও ভাবার্থে সত্য হবার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। গত পাঁচ মৌসুমে বুন্দেসলিগার দ্বিতীয় অবস্থানকারী দলের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নের পয়েন্ট ব্যবধান ছিল যথাক্রমে ২৫, ১৯, ১০, ১০ এবং ১৫!

স্বাভাবিকভাবে বলা যায়, জার্মান লিগে বারভারিয়ানদের আধিপত্য খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবার ইঙ্গিত আপাতত নেই। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তাদের সাফল্য কী?

চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চের কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নিয়েছে তারা। বার্নাব্যুতে এক রকম বিধ্বস্ত হয়েছে ফিলিপ লাম, আরিয়েন রোবেন, রবার্ট লেভানডস্কিদের মতো পরীক্ষিতদের নিয়ে গড়া দল।

গত ১৫ মৌসুমের হিসেব নিলে দেখা যায়, বায়ার্ন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে মাত্র একবার। সত্যি কথা বলতে এই সময়ে বায়ার্ন এবং বুরুশিয়া ডর্টমুন্ড (একবার) ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালেই উঠতে পারেনি কোনো জার্মান দল। এই সময়ে বায়ার্নও যে খুব বেশিবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলেছে এমন নয়। সব মিলিয়ে তিনবার ফাইনাল খেলেছে তারা। একমাত্র শিরোপাটি ২০১২-১৩ মৌসুমে ডর্টমুন্ডকে (লক্ষণীয় বিষয়। এটাও জার্মান দল) হারিয়ে! তাই স্বাভাবিকভাবে পরবর্তী মৌসুমে বায়ার্ন কোচ কার্লো আনচেলোত্তির প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে ইউরোপিয়ান পর্যায়েও বায়ার্নকে সাফল্য এনে দেওয়া।

 সে ক্ষেত্রে ক্লাবের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে দুই কিংবদন্তি ফিলিম লাম এবং জাবি আলানসোর শূন্যতা পূরণ করা। গত শনিবার শেষবারের মতো ফুটবলের সবুজ ঘাসে বুট পরে নেমেছিলেন দুইজন। তদুপরি আনচেলোত্তির দলের সাতজন খেলোয়াড়দের বয়স ৩০ বছরের উপরে। থিয়াগো, কিংসলে কোম্যান, জশুয়া কিমিচের মতো তরুণরা  আছেন। তবে লাম এবং আলানসোর মতো দক্ষদের শূন্যতা তারা কতটুকু পূরণ করতে পারবেন, তা সময়ই বলে দিবে।

আগামী মৌসুম শুরুর আগে তাই ট্রান্সফার বাজারে ভালো নজর থাকবে বায়ার্নের। সেক্ষত্রে ঘরের প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় রিয়াল, বার্সেলোনা, জুভেন্তাসের মতো ইউরোপিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীদের দিকে নজর দিতে হবে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের।

স্পোর্টস বিল্ড এই সপ্তাহে জানিয়েছে, আনচেলোত্তিকে একজন খেলোয়াড় কিনতেই ১০ কোটি ইউরো দিতে রাজি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বায়ার্নের লক্ষ্যের তালিকায় আছেন আন্তনিও গ্রিজম্যান, পাওলো দিবালা, মার্কো ভেরাত্তি এবং কিলিয়ান এমবাপে। তবে সবকিছুই গুঞ্জন। দিবালাকে জুভেন্তাস ছাড়বে, সে সম্ভাবনা কম। গ্রিজম্যান কিংবা এমবাপের উপর নজর রয়েছে অন্যান্য ইউরোপিয়ান জায়ান্টদেরও। তাই প্রবল আর্থিক প্রতিযোগিতায় নামতে হবে আনচেলোত্তির দলকে।

জার্মান চ্যাম্পিয়নরা প্রতিযোগিতায় নামার জন্য যে প্রস্তুত, তা বোঝা যায় দলটির স্টাইকার টমাস মুলারের কথায়। স্পোর্টস বিল্ডকে বলেন, ‘প্রতি মৌসুমের মতো এবারও ট্রান্সফার বাজারে বায়ার্ন কিছু একটা করার চেষ্টা করবে। এটা ব্যবসার অংশ।’-গোল.কম/বেইন স্পোর্টস

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২২ মে, ২০২০ ইং
ফজর৩:৪৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৪০
এশা৮:০১
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন