‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার দর বৃদ্ধি তদন্তে নামছে বিএসইসি
ইত্তেফাক রিপোর্ট০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
পুঁজিবাজারে গত কয়েকমাস ধরে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ছে। এতে বাড়ছে সার্বিক মূল্য সূচক। এদিকে শেয়ার দর বৃদ্ধির প্রবণতায় বিভিন্ন দুর্বল মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারদরও ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। তাই এসব কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে মাঠে নামছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তালিকাভুক্ত ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৭টি কোম্পানির শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। কোম্পানিগুলো হলো— ফাইন ফুডস, বিডি অটোকারস, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজ, জিল বাংলা সুগার মিলস, ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ এবং শ্যামপুর সুগার মিলস। এ কোম্পানিগুলোর অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি খতিয়ে দেখতে ২ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কমিশন। বিএসইসির উপ-পরিচালক গোলাম কিবরিয়া ও সহকারী পরিচালক রাকিবুর রহমানের সমন্বয়ে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে অতি দ্রুত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তদন্তের আওতায় আসা ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত সাত  কোম্পানির শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু হয় গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে। এর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম দুই বা তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গত ১০ অক্টোবর ডিএসইতে বিডি অটোকারসের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৪৩ টাকা ২০ পয়সা, যা বর্তমানে ৮০ টাকারও বেশি। অর্থাত্ মাস দুয়েকের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর ফাইন ফুডসের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল আট টাকা ৮০ পয়সা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ টাকা। আড়াই মাসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। একইভাবে প্রায় ১৫ দিনে জিল বাংলা সুগারের শেয়ারের দাম দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকায়। গত ১৫ দিনে মেঘনা পেট্রোর প্রতিটি শেয়ারের দাম প্রায় দুই টাকা বেড়ে হয়েছে সাত টাকা। এক মাসের ব্যবধানে শ্যামপুর সুগারের প্রতিটি  শেয়ারের দাম আট টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৯ টাকা। দেড় মাসে ইমাম বাটনের প্রতিটি  শেয়ারের দাম প্রায় সাড়ে তিন টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকায়। আর প্রায় এক মাসে মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের প্রতিটি শেয়ারের দাম এক টাকা ৮০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট টাকা ৪০ পয়সায়। অথচ এ কোম্পানিগুলোর শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ঋণাত্মক।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন