প্রবাস | The Daily Ittefaq

ভিয়েতনামে বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

ভিয়েতনামে বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৭ মার্চ, ২০১৮ ইং ১১:০১ মিঃ
ভিয়েতনামে বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে স্থানীয় সময় সোমবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৮ ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়-এ বাংলাদেশ দূতাবাসে উদযাপন করা হয়েছে।
 
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ প্রত্যুষে চ্যান্সারি ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ, তাদের পরিবারের সদস্যগন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন কালীন সময়ে একযোগে চ্যান্সারি ভবনে জাতীয় সংগীতে সকলে এক সাথে অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্যগণ, প্রবাসী বাংলাদেশিগণ একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে অংশগ্রহণ করেন।  এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যগণ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত প্রার্থনা এবং দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এরপরে মান্যবর রাষ্ট্রদূত দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা শীর্ষক এক আলোচনার সূত্রপাত করেন এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
 
আলোচনা সভায় ভিয়েতনামে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় অতিথিবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ ও তাদের পরিবারের সদস্য-গন উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে মহান স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অপরিসীম অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। ৩০ লক্ষাধিক শহীদদের আত্মত্যাগ এবং ২ লক্ষাধিক মা ও বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা তিনি ও অন্যান্য বক্তারা বিনম্র শ্রদ্ধাসহকারে স্মরণ করেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ এবং অর্জনের উপর মান্যবর রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে আলোকপাত করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল। তিনি বলেন, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
 
দিবসটি পালন উপলক্ষে ঐ দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী শেরাটন হ্যানয় হোটেলে রাষ্ট্রদূত কর্তৃক এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। জাতীয় সঙ্গীত শেষে রাষ্ট্রদূত আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্যও রাখেন। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভিয়েতনাম সরকারের ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার জনাব দাং দিন কুই। ভিয়েতনামে ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ, প্রবাসী বাংলাদেশিগণ, ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট পার্টির এক্সটারনাল রিলেশনস কমিশনের মহা-পরিচালক সহ ভিয়েতনামের উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাগণ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং ব্যবসায়িক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
 
অনুষ্ঠান শেষে কেক কাটা ও বাঙালি খাবারের অয়োজনে এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
 
ইত্তেফাক/এসএস
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৫:১১
যোহর১১:৫৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৪
সূর্যোদয় - ৬:৩২সূর্যাস্ত - ০৫:১২