রাজধানী | The Daily Ittefaq

জাঙ্গিয়া পরা ব্যক্তি পুলিশের সদস্য

জাঙ্গিয়া পরা ব্যক্তি পুলিশের সদস্য
অনলাইন ডেস্ক২৮ অক্টোবর, ২০১৮ ইং ১৯:০২ মিঃ
জাঙ্গিয়া পরা ব্যক্তি পুলিশের সদস্য
শুক্রবার ঢাকার পোস্তগোলায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে জাঙ্গিয়া পরা ব্যক্তির নাম এবাদত। ছবি: বিবিসি বাংলা।
বর্ণিল জাঙ্গিয়া পরা এক ব্যক্তির ছবি গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, পুলিশের মাঝখানে অস্ত্র হাতে জাঙ্গিয়া পরিধান করা এক ব্যক্তি দৌড়চ্ছেন কিংবা দাঁড়িয়ে আছেন। এ ছবিটি বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
 
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সকালে। ঢাকার পোস্তগোলায় একটি সেতুর টোল বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে শ্রমিক ও পুলিশের মাঝে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় শ্রমিক পুলিশের মাঝে ব্যাপক ধাওয়া এবং পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলিও চালিয়েছে। তবে পুলিশ গুলি চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মোকাবেলা করার জন্য অস্ত্রধারীরাও এসেছিল।
 
স্বভাবতই প্রশ্ন উঠে, গায়ে স্যান্ডো গেঞ্জি, হাতে অস্ত্র এবং জাঙ্গিয়া পড়া ব্যক্তিটি আসলে কে? তিনি কি পুলিশের সদস্য? নাকি অন্য কেউ? পুলিশের সদস্য হলে তার ইউনিফর্ম নেই কেন? অস্ত্রধারীরা কি পুলিশের পাশে অবস্থান করতে পারে?
 
পোস্তগোলা এলাকায় সংঘর্ষের সময় সে সময় এ ছবিটি তোলেন দৈনিক বাংলাদেশ জার্নাল নামে একটি পত্রিকা এবং অনলাইনের ফটোগ্রাফার শাহনেওয়াজ সুমন।
 
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মি: সুমন বলেন, "হঠাৎ দেখা গেল যে লুঙ্গি কাঁধে এক ব্যক্তি বেরিয়ে আসলো। তাকে আমরা ১৫-২০ মিনিটের মতো সেখানে দেখেছি।... প্রাচীরের পাশ দিয়ে সে হঠাৎ করে অস্ত্র হাতে বেরিয়ে আসে।"
 
ফেসবুকে ছবিটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের দিক থেকে জানানো হয়, জাঙ্গিয়া পরা ব্যক্তিটি পুলিশের সদস্য। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শফিউর রহমান বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, সে ব্যক্তির নাম এবাদত। তিনি কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ কনস্টেবল।
 
শ্রমিকদের হামলায় আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানান ঢাকার পুলিশ সুপার।
 
পুলিশ বলছে, শ্রমিকরা যখন পুলিশ সদস্য এবাদতের উপর আক্রমণ করে তখন তিনি নিজেকে রক্ষা করতে অন্য পুলিশ সদস্যদের কাছে ছুটে আসেন। শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষ শুরু হবার আগে কনস্টেবল এবাদত ঘটনাস্থলের পাশে একটি ক্যাম্পে বিশ্রামরত অবস্থায় ছিলেন।–বিবিসি বাংলা।
 
ইত্তেফাক/টিএস
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১০ জুলাই, ২০২০ ইং
ফজর৩:৫১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১৮সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭