আদালত | The Daily Ittefaq

রংপুরে বাবু সোনা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত

রংপুরে বাবু সোনা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত
রংপুর অফিস০৭ নভেম্বর, ২০১৮ ইং ১৯:৫৮ মিঃ
রংপুরে বাবু সোনা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত
রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা। ছবি: সংগৃহীত
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর স্পেশাল কোটের অ্যাডভোটেক রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান মামলার সরকারি কৌশলী অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক।
 
রংপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। উক্ত আদালতের বিচারক এবিএম নিজামুল হক সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করছেন। বুধবার এই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল, স্টীল আলমিরা বহনকারী রিক্সা ভ্যান এবং স্টিল আলমিরা জব্দ করার সময় উপস্থিত সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
 
এ সময় প্রত্যেক সাক্ষীই আদালতে জানান, আসামি স্নিগ্ধা সরকার ও শিক্ষক প্রেমিক কামরুল ইসলামের নির্দেশেই বিশিষ্ট আইনজীবী বাবু সোনা হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে এবং আসামি কামরুল ইসলাম এবং তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সবুজ ও রোকনের দেওয়া স্বীকারোক্তি মোতাবেক পুলিশ উল্লেখিত আলামতগুলো উদ্ধার ও জব্দ করেন।
 
বুধবার যাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে তারা হলেন- শ্রী স্বপন চন্দ্র বর্মণ, ফরহাদ হোসেন, ফিরোজ মিয়া ও মো. বকুল মিয়া।
 
এ হত্যা মামলায় আগামী ১৩ ও ১৪ নভেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মামলায় সরকারি কৌশলী অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক। গত মাসের ৩০ তারিখ থেকে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরুর আদেশ দেন বিচারক।
 
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক এবং তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সাজেদুর রহমান তাতা, অ্যাডভোকেট শাহ মো. নয়ন্নুর রহমান টফি এবং অপরদিকে আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন স্টেট ডিফেন্স (রাষ্ট্র নিযুক্ত) আইনজীবী বসুনিয়া মো. আরিফুল ইসলাম স্বপন।
 
অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক জানান, চলতি বছরের ২৯ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনাকে ১০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর তার লাশ তাজহাট মোল্লাপাড়ায় প্রেমিক শিক্ষক কামরুলের ভাইয়ের নির্মাণাধীন বাড়ির ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা হয়। ৩রা এপ্রিল রাতে বাবু সোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দীপা ভৌমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব আটক করে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং লাশের অবস্থান সম্পর্কে তাদের জানান। সেই সূত্র ধরে ওই দিন রাতে মোল্লাপাড়ার ওই বাড়ির মেঝে খুঁড়ে নিহত আইনজীবী বাবু সোনার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
 
এ ঘটনায় পুলিশ বাবুসোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দিপা ভৌমিক, প্রেমিক শিক্ষক কামরুল ইসলাম, মিলন মোহন্ত, ছাত্র মোল্লাপাড়া এলাকার সবুজ ইসলাম ও রোকনুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১০ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৫:০৮
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৯সূর্যাস্ত - ০৫:১১