রাজনীতি | The Daily Ittefaq

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ, সনজিতের বহিষ্কার দাবি

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ, সনজিতের বহিষ্কার দাবি
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ২১:৫৮ মিঃ
ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ, সনজিতের বহিষ্কার দাবি
ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও স্যার এ এফ রহমান হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম রুহুল আমিনকে মারধরের ঘটনা নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেছেন। 
 
রবিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ধানমন্ডি ৩/এ আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে দেখা করে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে একজন সিনিয়র নেতাকে মারধর করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে।
 
সাক্ষাতে ছাত্রলীগের গত কয়েক কমিটির শতাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্যরা হলেন-হাসানুজ্জামান লিটন, হেমায়েত উদ্দিন, সোহেল রানা মিঠু, নাজমুল হুদা ওয়ারেশি চঞ্চল, মামুনুর রশীদ মামুন, সায়েম খান, মাকসুদ রানা মিঠু, আসাদুজ্জামান নাদিম, শেখ তুহিন প্রমুখ।
 
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সোহেল রানা মিঠু ইত্তেফাককে বলেন, ‘রুহুল আমিন দুঃসময়ের কর্মী হিসেবে আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে। তার ওপর অন্যায় হয়েছে।  তিনি (ওবায়দুল কাদের) প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুসারে দোষীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।’ 
 
ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন বলেন, ‘বিষয়টি নেত্রীকে জানানোর ইচ্ছে ছিল। কিন্তু তিনি দেশে না থাকায় আমরা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে তুচ্ছ ঘটনার কারণে ছাত্রলীগের সিনিয়র একজন নেতাকে মারধর করার বিষয়টি জানাই। এই ঘটনার আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চেয়েছি। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’ 
 
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে রুহুল আমিন তার বড়ভাই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিমের শাশুড়ির মরদেহ নিতে তার অন্তঃসত্ত্বা ভাবিকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের লিফটে ওঠেন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের বড় ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে সনজিতের কয়েকজন অনুসারীও লিফটে ওঠেন। লিফটে ওভার লোডের কারণে রুহুল আমিন সনজিত চন্দ্র দাসের কিছু অনুসারীকে লিফট থেকে নেমে যাওয়ার অনুরোধ জানান। এতে সনজিতের ভাইয়ের সঙ্গে রুহুলের কথা কাটাকাটি হয়। সনজিতের ভাই এই ঘটনা তাকে জানালে সে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০-২৫জন নেতাকর্মী নিয়ে ভাইয়ের শাশুড়ির লাশের সামনে রুহুল আমিনকে মারধর করে এবং তার ভাইয়ের শাশুড়ির লাশসহ তাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগে সনজিতের অনুসারী বিভিন্ন হলের প্রায় ২৫০-৩০০ জন রড, স্ট্যাম্প নিয়ে  ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে মহড়া দেয়। সেখান থেকে ২০-২৫ জন গিয়ে ভবনের আট তলায় উঠে লাশের সামনে উপস্থিত রুহুল আমিনকে মারতে মারতে নিচে নামায়। সেখানে আরেক দফায় তাকে মারধর করা হয়। এতে রুহুল আমিনের নাক মুখ ফেটে যায়। কয়েকটি হাসপাতাল বদলের পর আহত রুহুল আমিন বর্তমানে ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এই ঘটনায় ছাত্রলীগ রবিবার চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং দুই কার্য দিবসের মধ্যে উক্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 
 
ইত্তেফাক/এমআই
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৫০
আসর৪:০৯
মাগরিব৫:৫২
এশা৭:০৫
সূর্যোদয় - ৫:৪৯সূর্যাস্ত - ০৫:৪৭