স্মারক
জাগ্রত চৌরঙ্গী
মাহদী হাসান লিখন১১ মার্চ, ২০১৮ ইং
জাগ্রত চৌরঙ্গী

 

মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য। নির্মাণ সাল ১৯৭৩। মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরে সংঘটিত প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামের চেতনায় নির্মিত এ ভাস্কর্য। গাজীপুরের জয়দেবপুরে  চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে নির্মিত এ ভাস্কর্যের ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক। বেদিসহ এর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদির ওপর মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৭ ফুট ৯ ইঞ্চি। গ্রামীণ পোশাক পরা উদোম গায়ে পেশিবহুল এ ভাস্কর্যের ডান হাতে গ্রেনেড আর বাম হাতে রাইফেল। কংক্রিট, গ্রে সিমেন্ট, হোয়াইট সিমেন্ট ইত্যাদি দিয়ে ঢালাই করে নির্মিত। ভাস্কর্যের বেদিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন ও ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধার নাম উত্কীর্ণ করা আছে।

ইদানীং ভাস্কর্যটি যতবার দেখি ততবার এর বেদির দক্ষিণ পাশের অবস্থা দেখে লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়। দুর্গন্ধে সেখানে দাঁড়ানো যায় না। হাইওয়ের ওপর নির্মিত বলে ভাস্কর্যটি হতে পারে যে কোনো পথচারী পিতার কাছে তাঁর সন্তানের জিজ্ঞাসার বিষয়। আকর্ষণীয় হতে পারে কোনো বিদেশি অতিথির কাছেও। কিন্তু এহেন পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে এর পাশে দাঁড়িয়ে এটি নির্মাণের উদ্দেশ্যের কথা কারো মুখ থেকেই বের হবে বলে মনে হয় না। জাগ্রত চৌরঙ্গী আমাদের চেতনাকে জাগ্রত করুক।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ মার্চ, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৬
যোহর১২:০৯
আসর৪:২৭
মাগরিব৬:০৯
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৬:০৪
পড়ুন