ফিরছে ডাম্ব অ্যান্ড ডাম্বার
২৩ অক্টোবর, ২০১৪ ইং
জিম ক্যারি। হাসি আর আনন্দে সবাইকে মাতিয়ে রাখেন তার অভিনয় কৌশল দিয়ে। কানাডিয়ান-আমেরিকান এ কমেডি অভিনেতা কমেডি ছাড়াও অনেক সিনেমা করেছেন। সেগুলোও পেয়েছে সমান জনপ্রিয়তা। তবে, কমেডি সিনেমা বলতে আজও জিম ক্যারির কথাই সবার মনে পড়ে। সেই যে ‘ডাম্ব অ্যান্ড ডাম্বার’ নিয়ে একবার হাজির হয়েছিলেন, এরপর হুট করেই যেন গায়েব হয়ে গেলেন। তবে সম্প্রতি আবারও হাজির হচ্ছেন এই মুভির নতুন পর্ব ‘ডাম্ব অ্যান্ড ডাম্বার টু’ নিয়ে। চলতি মাসেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম

সিনেমাটিতে জিমের পাশাপাশি অভিনয় করছেন হলিউডি জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ‘ডাম্ব অ্যান্ড ডাম্বার’ ছবির সিক্যুয়েলে ফ্রেইদা ফেলচারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেনিফার লরেন্স। মাত্র একদিনেই শুটিং শেষ করেছেন অস্কারজয়ী এ অভিনেত্রী।

পুরো নাম তার জেমস ইউগেন ক্যারি। ডাক নাম জিম ক্যারি। তিনি একজন কানাডিয়ান আমেরিকান কমেডি অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক। ক্যারি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের জন্য চার চারবার মনোনীত হয়েছেন এবং জয় করেছেন দুইবার। তার অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা এবং প্রখর ব্যক্তিত্বের কারণে তাকে হলিউডের সবচেয়ে বড় তারকা বিবেচনা করা হতো। জিম ক্যারি কানাডার অনতারিও নিউমার্কেটের একটি রোমান ক্যাথলিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬২ সালের ১৭ জানুয়ারি। ক্যারির বাবা পার্সি ক্যারি একজন মিউজিশিয়ান। চার-ভাইবোনের মধ্যে জিম সবার ছোট। ১৯৯০ সালে ‘স্কেচ কমেডি ইন লিভিং কালার’ মুভিতে প্রথম আবির্ভূত হন জিম। তার প্রথম লিডিং রোল অভিনয় ‘এইচ ভেঞ্চার :পেট ডিটেক্টিভ’ দিয়ে। এটা ১৯৯৪ সালের কথা। এই মুভিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নিজের পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম হন তিনি। এরপর একের পর এক মুক্তি পেতে থাকে তার ‘ডাম্ব অ্যান্ড ডাম্বার’, ‘দি মাস্ক’ এবং ‘এইচ ভেঞ্চার :হোয়েন নেচার কলস’ ইত্যাদি সুপারহিট মুভিগুলো। ১৯৯৭ সালে ‘লায়ার লায়ার’ মুভিতে অভিনয় করে দারুণভাবে প্রশংসিত হন ক্যারি। এই মুভিটি তাকে সেরা অভিনেতা ক্যাটাগরিতে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়। এরপর ১৯৯৮ সালের ‘দি ট্রুম্যান শো’ এবং ১৯৯৯ সালের ‘ম্যান অন দ্য মুন’ ছবি দুটিও তাকে বেস্ট অ্যাক্টার ক্যাটাগরিতে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়। বেশ কয়েক বছর পর মুক্তি পায় ব্লকবাস্টার মুভি ‘ব্রুস অলমাইটি’। এরপর রূপকথার উপাখ্যানের মতো একের পর এক সফল সব ছবি উপহার দিতে থাকেন জিম ক্যারি। কিন্তু জিম সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মাননি। একটা ইন্টারভিউতে তিনি উল্লেখ করেছেন তার বেড়ে ওঠার কথা। যেখানে তিনি জানিয়েছেন তার বাবা ছিলেন একজন মিউজিশিয়ান। যাকে চাকরি করে ছেলেমেয়েদের জীবিকা নির্বাহ করতে হতো। কিন্তু এই চাকরিও একসময় চলে যায়। মধ্যবিত্ত থেকে একদম নিম্নবিত্ত অবস্থার মধ্যে পতিত হয় ক্যারির পরিবার। এই অবস্থায় মাত্র ১৫ বছর বয়সেই তাকে স্কুল ছাড়তে হয়। একটা চাকরি জুটিয়ে পরিবারকে সহায়তা করতে হয় জিমকে। এরপর আবারো স্কুলে ভর্তি হন তিনি। কিন্তু সেটাও মাত্র দুই বছরের জন্য। এরপর আর স্কুলের পড়া শেষ করতে পারেননি তিনি। পরিবারকে সহযোগিতা করতে কঠিন জীবনের বাস্তবতায় লেখাপড়া শেষ হলেও শেষ হয় না জিমের স্বপ্ন দেখা। স্বপ্ন দেখতেন একজন কমেডিয়ান হওয়ার। তার সে স্বপ্ন শুধু পূরণই হয়নি। কমেডিতে নিজেকে নিয়ে গেছেন বিশ্বের নম্বর ওয়ান অবস্থানে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৯
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪
পড়ুন