দিয়া মির্জা
আপন আলোয় উদ্ভাসিত
২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
আপন আলোয় উদ্ভাসিত
মোহনীয় রূপের সঙ্গে অভিনয়শৈলীর সংযোগে দিয়া মির্জা সেলুলয়েডে পেয়েছেন জনপ্রিয়তা। টানা টানা চোখ আর স্নিগ্ধ হাসিতে কাঁপন ধরিয়েছেন সিনেমা দর্শকের হূদয়ে। আকাশ সংস্কৃতির সুবাদে এদেশেও রয়েছে তার লাখো ভক্ত। সম্প্রতি ঢাকার র্যাম্পে আলো ছড়িয়ে গেলেন মিস বিউটিফুলখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। উচ্ছ্বসিত দর্শকের সামনে তার অনুভূতি ও ফ্যাশন শোয়ের আদ্যোপান্ত নিয়ে লিখেছেন খালেদ আহমেদ

 

মিস এশিয়া প্যাসিফিক বিজয়ী দিয়া মির্জা মঞ্চে আসতেই ফ্যাশন শোয়ের আবহ যেন মুহূর্তেই পাল্টে গেল। উপস্থিত দর্শকরা ব্যস্ত হয়ে পড়লেন বলিউডের এই অভিনেত্রীর ক্যাটওয়াকের দৃশ্যধারণ করতে। গত শুক্রবার হোটেল র্যাডিসন ব্লু বলরুমে অনুষ্ঠিত এ ফ্যাশন শোয়ের শেষ প্রান্তে দেখা গেল এরকম দৃশ্যই। ফ্যাশন শোয়ের মূল শো স্টপার ছিলেন দিয়াই। গীতাঞ্জলির গয়না ও রুবিজের পোশাক পরেই মঞ্চে ওঠেন দিয়া মির্জা। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এ ফ্যাশন শোতে দেশের জনপ্রিয় অন্য র্যাম্প মডেলরাও অংশ নেন। অনুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফি করেন অমিত কুমার।

দিয়াকে দর্শকরা চিনতে শুরু করেন ২০০১ সালে ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ (মাধবন ও সাইফ আলি খান) ছবির মাধ্যমে। ‘জারা জারা’ গানের মতোই তার স্নিগ্ধ মুখখানি পাওয়া গেল ঢাকায়ও। ভারতের এই রূপবতী ঢাকায় এসেছেন শুক্রবারেই। ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া এশিয়া প্যাসিফিক ২০০০ ও মিস এশিয়া প্যাসিফিক ২০০০ বিজয়ী দিয়া বাংলা ছবিতেও (পাঁচ অধ্যায়) অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশে এবারই প্রথম এলেন জানিয়ে ৩৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী ক্যাটওয়াক শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তার ভাষ্যে, ‘বাংলাদেশে এটাই আমার প্রথম আসা। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ। সময়-সুযোগ পেলে আবার এ দেশে আসতে চাই।’ দিয়ার মুখাবয়বে রয়েছে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের অদ্ভুত মেলবন্ধন। বলিউডের ‘দিওয়ানাপান’ (অর্জুন রামপাল), ‘তুমকো না ভুল পায়েঙ্গে’ (সালমান খান), ‘তুমসা নাহি দেখা’ (এমরান হাশমি), ‘পরিণীতা’ (সাইফ আলি খান, সঞ্জয় দত্ত), ‘হানিমুন ট্র্যাভেলস প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘লাভ ব্রেকআপস জিন্দেগি’ (জায়েদ খান) ছবিগুলোর জন্যও দর্শকপ্রিয় তিনি। শুধু অভিনয়ই নয়, প্রযোজক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন দিয়া। গত বছর বিদ্যা বালানকে নিয়ে বানিয়েছেন ‘ববি জাসুস’। সেই দিয়াকে সামনাসামনি পেয়ে আপ্লুত হলো উপস্থিত দর্শকরা। আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইনফিনিটি ইভেন্টসের পরিচালক কারিশমা খান বলেন, ‘ডিজাইনারদের জন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে তিন বছর ধরে ‘পন্ডস প্রেজেন্টস দ্য লাস্ট্রাস রানওয়ে’ শিরোনামে ফ্যাশন শোয়ের আয়োজন করা হচ্ছে।’

এ ফ্যাশন শোতে এশিয়ার তিন দেশ—বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের ফ্যাশন ডিজাইনাররা নিজ নিজ সৃজনশীলতাকে উপস্থাপন করেছেন নতুন আঙ্গিকে। এখানে বাংলাদেশের নোভা জেনুইন স্বরভস্কি, রুবিজ, নিশা আলি ও সাশা এক্সক্লুসিভস, ভারতের জ্যোতিসাচদেব আইয়ার, কোমল সুদ ও জ্যোত্স্না তিওয়ারি এবং পাকিস্তানের শামশা হাশওয়ানির ডিজাইন করা পোশাক পরে ক্যাটওয়াক করেছেন মডেলরা। ফ্যাশন শোয়ের আয়োজন করে পন্ডস ও ইনফিনিটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। সহযোগিতায় ছিল বিএমডব্লিউ। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল বাংলাভিশন ও প্রিন্ট মিডিয়া ছিল পার্টনার ডেইলি স্টার। এছাড়াও স্পন্সার ছিল সিটি ব্যাংক অ্যামেক্স, গীতাঞ্জলি লাইফস্টাইল, ক্যারোলিন, ওরিয়েন্টাল গ্রুপ এবং কো-স্পন্সার ছিল প্রাইভ স্পা অ্যান্ড স্যালুন, দ্য অলিভস। আর সিকিউরিটি পার্টনার হিসেবে ছিল এলিট ফোর্স। দিয়া মির্জার আগমন উপলক্ষে পন্ডসের ব্যবহারকারীদের মধ্যে ফেসবুকে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা ফ্যাশন শো শেষে দিয়া মির্জার সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পেয়েছেন। পন্ডস লাস্ট্রাস রানওয়েতে অংশ নিতে এর আগে ঢাকায় এসেছিলেন বলিউডের তিন অভিনেত্রী—নেহা ধুপিয়া, সোহা আলি খান ও মালাইকা অরোরা খান।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন