তিনি একজন সঞ্চালকও
০৩ মার্চ, ২০১৬ ইং
তিনি একজন সঞ্চালকও
বিশিষ্ট শিক্ষা সংস্কারক, উদ্যোক্তা কিংবা ‘আধুনিক ডিজিটাল শিক্ষার স্বপ্ন দ্রষ্টা’ ইত্যাদি বিশেষণে যাকে আমরা জানি-চিনি, তিনি লায়ন এম কে বাশার পিএমজেএফ। তবে এসব পরিচয়ের বাইরেও ব্যক্তি বাশারের আরও একটি পরিচয় হলো, তিনি একজন সংস্কৃতমনা মানুষ। স্টুডেন্ট লাইফ থেকেই তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পটু। একই সঙ্গে বিতর্ক-আবৃতিতেও ছিলেন পারদর্শী। বিশেষ করে পেশাগত জীবনে এসেও তিনি তার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি বিটিভিসহ বিভিন্ন টিভি মিডিয়ায় প্রচুর ধারণকৃত ও লাইভ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। চ্যানেল আইয়ে প্রতি সোমবার সকাল ১১টায় বিভিন্ন সেক্টরের বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে সরাসরি অনুষ্ঠিত হয় অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘উচ্চশিক্ষা দেশ-বিদেশ’। এক দশক ধরে পরিচালিত এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের সঞ্চালক লায়ন এম কে বাশার।

পেশাগত জীবনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বহু অনুষ্ঠান তিনি প্রতিনিয়তই সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনা করেন। পাশাপাশি তিনি একজন সফল বক্তাও। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার বক্তব্য মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো শ্রবণ করে। 

সম্প্রতি তার সঞ্চালক পরিচয়ের মুন্সিয়ানা খুব স্পষ্টতই ফুটে ওঠে হোটেল সোনার গাঁওয়ে পরিচালিত লায়ন্সের পিজিডিস ডে অনুষ্ঠানে। বিকেল ৪টা থেকে একটানা রাত ১০টা পর্যন্ত পরিচালিত এই অনুষ্ঠানের মূল সঞ্চালক ছিলেন তিনি। তার বিচক্ষণ ও শ্রুতিমধুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে উপভোগ্য।

উল্লেখ্য, শিক্ষাদ্যোক্তা লায়ন এম কে বাশার পিএমজেএফ শিক্ষাটাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরেছেন অপেক্ষাকৃত সাবলীল ও নান্দনিক রূপে, আর এ কাজে তিনি ব্যবহার করেছেন তথ্যপ্রযুক্তিকে। এজন্য তিনি নিজ প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিয়ান কলেজে প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ডিজিটাল শিক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে প্রকৃত ডিজিটাল শিক্ষা ও এর ব্যাপকতা তুলে ধরার প্রয়াস রেখেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রমের গবেষণায় তিনি যুক্ত করলেন সকল শিক্ষা উপকরণের ডিজিটাল ভার্সন তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের হাতে বইয়ের পরিবর্তে ছোট্ট ল্যাপটপ তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া। এখানেই শেষ নয়; ডিজিটাল বাংলাদেশের গবেষণায় তিনি যুক্ত করলেন গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করার কাজ, তিনি অনুমোদন নিলেন দেশের প্রথম শিক্ষামূলক টেলিভিশন ‘সিটিভি’ নামক এক ব্যতিক্রম টিভি চ্যানেলের।

লায়ন এম. কে বাশারের মাদার প্রতিষ্ঠান ‘বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান অর্জন করেছে আকাশ ছোঁয়া সাফল্য। এটি দেশের শীর্ষ এবং লিডিং এডুকেশন কনসালটেন্সি ফার্ম। বাংলাদেশের ইতিহাসে বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় মানসম্পন্ন সেবা--সার্ভিসের জন্য সর্ব প্রথম এবং সবচেয়ে কম বয়সে বিএসবি’ই অর্জন করে আইএসও ৯০০১:২০০৮ কোয়ালিটি সনদ ও এ্যাসিক সনদ সহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বহু প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাওয়ার্ড তথা সী্বকৃতি। পৃথিবীর বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়সিমার মধ্যে ছাত্র ভর্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সফল একটি প্রতিষ্ঠান এই বিএসবি। শিক্ষার্থীদের ওয়ানষ্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে ভর্তি ও ক্যারিয়ার সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান এবং ভিসা প্রসেসিং ও ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুত করে থাকে এই প্রতিষ্ঠান।

বিএসবি এখন একটি ফাউন্ডেশন । যার অধিনে শুধু বিদেশেই নয়, দেশের অভ্যন্তরেও প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা অবদি পরিচালিত হচ্ছে; স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় (প্রক্রিয়াধিন) এমনকি মাদ্রাসাও। এই পরিবারে আরো আছে, ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাডি সেন্টার, ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ল্যাংগুয়েজ সেন্টার ও ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কলেজ অব এভিয়েশন এবং ‘বিএসবি ট্রাভেলস’।

এসব প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরুপ লায়ন এম.কে. বাশার পিএমজেএফ এর রয়েছে সেরা শিক্ষা উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অ্যাওয়র্ড তথা স্বীকৃতি। তন্মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস অ্যাওয়র্ড- ২০১২ এবং একই বছর ইউরোপের অত্যন্ত স্বীকৃত ও সম্মানজনক অ্যাওয়র্ড;  দ্যা বিজ- ২০১২ প্রাপ্তির মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড বিজনেস লিডার ভূষিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। তাঁর দূরদৃষ্টি, প্রজ্ঞা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে বহুমুখি কর্মকান্ড’ ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ তথা বিএসবিকে দেশীয় পরিমন্ডলের বাইরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুনমাত্রা ও অবস্থানে পৌেঁছ দিয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩ মার্চ, ২০২১ ইং
ফজর৫:০৪
যোহর১২:১১
আসর৪:২৪
মাগরিব৬:০৫
এশা৭:১৮
সূর্যোদয় - ৬:১৯সূর্যাস্ত - ০৬:০০
পড়ুন