তারকার ঈদ ভাবনা
২২ জুন, ২০১৭ ইং
তারকার ঈদ ভাবনা
ছোটবেলার ঈদ বড় বেলার ঈদ নিয়ে তারকাদের মধ্যে নানা গল্প শোনা যায়। এই সময়ের তিনজন মডেল ও অভিনেত্রী অ্যানি খান, সাদিকা স্বর্ণা ও টয়ার মুখে শোনা যাক তাদের ঈদের গল্প। লিখেছেন নূপুর বন্দোপাধ্যায়

টয়া

আমার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর নাজিরপুরে। তবে পারিবারিকভাবে আমার বাবা স্থায়ী নিবাস করেছেন রাঙামাটিতে। সেখানেই আমার জন্ম। গ্রামের বাড়িতে ছোটবেলা থেকে এখন পর্যন্ত অনেক ঈদ করেছি আমরা। সর্বশেষ গত কোরবানীর ঈদেও গ্রামের বাড়িতে গিয়েছি। তবে এবার রোজার ঈদ কোথায় করব, তা এখনো পরিকল্পনা করিনি। কারণ আব্বু রাঙামাটি থেকে এখনো ঢাকায় আসেননি, তাই কোনো পরিকল্পনাও হয়নি। এটা খুব ভালো লাগে যে গ্রামের বাগিতে কোরবানির ঈদে যাওয়া হয়। ঈদের সময় আমি রান্নাবান্না করি না। আমি মনে করি, আমি এখনো অনেক ছোট। তাই ঈদের দিন রান্নার যত কাজ আম্মুই করেন। তবে এটা ঠিক আমি আর আমার বড় বোন খেয়া আম্মুকে সহযোগিতা করি। আমরা দুই বোন ঈদে অনেক মজা করি। সবমিলিয়ে ঈদে যেখানেই থাকি, অনেক ভালোভাবেই ঈদ কেটে যায়। এবারের ঈদও আশা করছি সবমিলিয়ে অনেক ভালো কাটবে।

অ্যানি খান

আমার জন্ম ময়মনসিংহের চরপাড়া হাসপাতালে। সেখানকার গাঙ্গিনার পাড়েই আমার ছোটবেলার কিছুটা সময় কেটেছে। যেহেতু আমার জন্ম সেখানে এবং ছোটবেলা সেখানে কেটেছে তাই ময়মনসিংহের প্রতি সবসময়ই আমি আলাদা টান অনুভব করি। ঢাকায় এসে আমি প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হই সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলে। এরপর ধীরে ধীরে এই রাজধানীতেই বেড়ে ওঠা। স্টামফোর্ড থেকে পরবর্তীতে বিবিএ এমবিএস সম্পন্ন করি। ময়মনসিংহের ঈদের কথা খুব বেশি মনে পড়ে না। তবে এই রাজধানীর ঈদের ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে। আমার এই সময়ের ঈদ অনেক ভালো কাটে। যদিও আব্বুকে খুব মিস করি। আব্বু ছাড়া ঈদটা এখন অনেকটাই শূন্য শূন্য লাগে। তারপরও চেষ্টা করি আম্মুকে সময় দিতে। ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি, আম্মু, ভাইয়া ঈদের মাঠেই নামাজ পড়তে যাই। নামাজে যাওয়ার আগেই আমি নিজের হাতে বিরিয়ানী রান্না করি। সেটাই সবাই নামাজ থেকে এসে খান। এবারের ঈদের দিন টিভিতে আমার বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান নেই। তবে ঈদের পরদিন এসএটিভির একটি লাইভ শোতে অংশ নিব।

সাদিকা স্বর্ণা

আমার বাবার বাড়ি শরীয়তপুর, মায়ের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ। তবে আমার জন্ম ঢাকায়। আমার জানামতে আমার জীবনের সব ঈদ আমি ঢাকাতেই করেছি। তবে গুদুগুদু কালে হয়তো গ্রামের বাড়িতে ঈদ করেছি। ঈদ আমার কাছে সবসময়ই অনেক আনন্দের হয়ে থাকে। আমাদের বিশাল পরিবারের সবাই মিলে হইচই করব, সারাদিন আড্ডা দিব মাস্তি করব—এই হলো আমাদের ঈদ আনন্দ। সাধারণত আমরা সবাই রাজধানীর হাতিরপুলে আমাদের ঝরনা খালা মনির বাসায় ঈদ করি। ঈদের দিন এমনও হয় যে আমরা ২৫-৩০ জনের একটি পারিবারিক দল সিনেপ্লেক্সেও যাই সিনেমা দেখতে। সবমিলিয়েই আমার ঈদ সবসময়ই অনেক আনন্দে কাটে। এটাও সত্য যে বড় হয়েছি ঠিকই কিন্তু এখনো আমি ঈদি পাই। আমার বাবা-মা দুজনই শিক্ষকতা করেন। তারা দুজনই কাপ্তাই থাকেন। কিন্তু ঈদের সময় ঢাকায় চলে আসেন। আমি তাদের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি ঈদ আসার আগে থেকেই।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২২ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন