ট্রাম্প জিতলে মন্ত্রিসভায় ইভাঙ্কা
অলক বিশ্বাস০৮ আগষ্ট, ২০১৬ ইং
ট্রাম্প জিতলে মন্ত্রিসভায় ইভাঙ্কা
মনোনয়ন লড়াই শুরু করার পর থেকেই একের পর এক বিতর্ক তৈরি করার পরও রিপাবলিকান পার্টি থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পই শেষ হাসি হেসেছেন। তবে সমপ্রতি ক্লিভল্যান্ডে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে বাবা ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই ছাপিয়ে গেছেন মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প। রিপাবলিকানদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইভাঙ্কার প্রতি তাদের দুর্বলতার কথা প্রকাশ করে বলে ফেলেন ইভাঙ্কাকে কেন রিপাবলিকান পার্টির মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করা হচ্ছে না? রিপাবলিকান ভোটারদের এমন প্রতিক্রিয়ার পর নড়েচড়ে বসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ভোটারদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় ইভাঙ্কার এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে চান তিনি। আবার মেয়ে যে পাদপ্রদীপের আলো তার কাছ থেকে কেড়ে নিচ্ছেন সেটিও তিনি সহজে মেনে নিতে পারছেন না। সমালোচকদের এক হাত নিতেই সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে বলেই ফেলেছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মেয়ে ইভাঙ্কাকে তার মন্ত্রিসভায় রাখবেন।

বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডায় এক সাক্ষাত্কার অনুষ্ঠানে ইভাঙ্কা সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ইভাঙ্কাকে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার জন্য অনেকেই এখন দাবি জানাচ্ছেন। আমি মনে করি তাদের এই দাবি যথেষ্ট যৌক্তিক। ভোটারদের কাছে ইভাঙ্কার ব্যাপক জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে। সে সত্যিই দারুণ করছে। নির্বাচিত হলে তার মন্ত্রিপরিষদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে ইভাঙ্কা। ম্যানহাটনে জন্মগ্রহণ করা ইভাঙ্কা বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। এক সময় মডেলিংয়ে সুনাম কুড়িয়েছিলেন। পারিবারিক ব্যবসার হালও ধরেছেন বেশ শক্তভাবেই। বাবার ব্যবসা দেখাশোনার আগে ফরেস্ট সিটি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে বেশ কিছুদিন কাজ করেছেন। বর্তমানে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ইভাঙ্কা।

সমপ্রতি ক্লিভল্যান্ডে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে বাবা ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে বক্তব্য রাখেন তার সুন্দরী কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প। ডোনাল্ডও সভায় উপস্থিত বাকি সবাইকে ছাপিয়ে অনুষ্ঠানের যাবতীয় আকর্ষণ কেড়ে নেন ৩৪ বছরের এই সুন্দরী। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বদলে তার বড় মেয়েকেই কেন রিপাবলিকান পার্টির মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করা হচ্ছে না, তা নিয়ে রীতিমত আলোচনা হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এক কথায় বলতে গেলে সেদিন গোটা সন্ধ্যাটাই যেন ছিল ইভাঙ্কার। তারা বলছেন, সৌন্দর্যের পাশাপাশি যোগ্যতার বিবেচনায় হিলারি ক্লিনটন যদি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে পারেন, তবে সেই একই কারণে ট্রাম্পের চেয়ে তার কন্যাই বেশি যোগ্য। ক্লিনটন-পত্নীকে মোকাবিলায় ইভাঙ্কাই ভালো অস্ত্র হতে পারত বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেছে অসংখ্য মানুষ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে বেড়ানো মানুষের এই বার্তায় যে একই সঙ্গে ট্রাম্পকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে সেটি বেশ ভালোই বুঝতে পেরেছেন ট্রাম্প।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প কখনোই তার জায়গায় তার মেয়ের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার বিষয়টিকে মেনে নেওয়ার পাত্র নন। কারণ নিজেই নিজের পাবলিক এবং প্রাইভেট চরিত্র নিজেই তৈরি করে চলেন ট্রাম্প। পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার অধিকারী ট্রাম্পের কাছে এই বিষয়টি পরাজয়েরই নামান্তর।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন