ঠাকুরগাঁওয়ে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে হাতাহাতি
পুলিশ কর্মকর্তা স্বামীকে গণধোলাই
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
স্ত্রীর মর্যাদা দিতে টালবাহানা করায় মাসুদা বেগম নামে এক পুলিশ পত্নী তার স্বামী এএসআই দবিয়ার রহমানকে প্রকাশ্যে কিলঘুষি ও চড়থাপ্পড় মেরেছে। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাও স্ত্রীকে মারধর করলে উত্সুক জনতা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে গণধোলাই দিয়েছে। পরে ওই পুলিশ কর্মকতার স্ত্রী মাসুদাকে স্থানীয় লোকজন ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল থানায় কর্মরত থাকাকালে এএসআই দবিয়ার রহমানের সঙ্গে মাসুদা বেগম নামে এক গৃহবধূর পরিচয় থেকে প্রণয় ঘটে। এক পর্যায়ে দবিয়ার রহমান ওই গৃহবধূকে ফুসলিয়ে ঢাকায় নিয়ে যায় এবং তাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেশ কয়েকদিন অবৈধ মেলামেশা করে।  অবশেষে চলতি বছরের ৪ নভেম্বর ওই মহিলার চাপের মুখে দবিয়ার রহমান ঢাকার আশুলিয়া থানায় মাসুদাকে ২ লাখ টাকা মোহরানায় বিয়ে করে।

এরপর তাকে ভুল বুঝিয়ে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করলে স্বামীর সঙ্গে একই কোয়ার্টারে বসবাসের বায়না ধরেন মাসুদা। এতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে অস্বীকার করলে মাসুদা বেগম গত ২৭ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। রাণীশংকৈল থানার ওসি রেজাউল করিম ওই অভিযোগ তদন্ত করছেন। এদিকে তদন্তে যেন কোনোরূপ প্রভাব সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য গত মঙ্গলবার এএসআই দবিয়ার রহমানকে রুহিয়া থানায় বদলি করা হয়। ১নং রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে আলাপকালে মাসুদা বেগম তার ওপর চড়াও হয় এবং স্বামী পুলিশ কর্মকর্তাকে কিলঘুষি মারে। এতে পুলিশ কর্মকর্তাও পাল্টা মারধর শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশ কর্মকর্তাকে গণপিটুনি দেয়।

মাসুদা জানান, এএসআই দবিয়ার রহমান ঢাকায় তাকে বিয়ে করেছে। কিন্তু স্ত্রীর মর্যাদা দিতে প্রায়ই অস্বীকার করেন। বদলির খবর শুনে রুহিয়া আসলে তার সঙ্গে বাগিবতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সে আমাকে মারধর করে।

রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহারিয়ার জানান, এএসআই দবিয়ার রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন