ফুলবাড়িতে ড্রেনের দুর্গন্ধময় পানি উপচে রাস্তায় পথচারীদের দুর্ভোগ
ফুলবাড়িতে ড্রেনের দুর্গন্ধময় পানি উপচে রাস্তায় পথচারীদের দুর্ভোগ
জেলায় ফুলবাড়ি পৌরসভার টেম্পো স্ট্যান্ড হতে উত্তর সুজাপুর প্রফেসরপাড়ার ড্রেনের পানি উপচে রাস্তা সয়লাব হয়ে গেছে। এতে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী স্থানীয় বাসিন্দাসহ পথচারীদেরকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তায় জমে থাকা নোংরা দুর্গন্ধময় পানির জন্য বোঝা মুশকিল কোনটি রাস্তা আর কোনটি ড্রেন।  সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের উত্তর সুজাপুর গ্রামের টেম্পো স্ট্যান্ড থেকে প্রফেসরপাড়া রাস্তার এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. কফিল উদ্দিনের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তাটি ড্রেনের পানি উপচে সয়লাব হয়ে গেছে। ড্রেনের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ওই এলাকায় বাসবাসকারী বাসিন্দাসহ রাস্তাটি দিয়ে চলাচলকারী পথচারীদেরকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই এলাকাতেই শিক্ষার্থীদের মেস গড়ে ওঠায় ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে। ড্রেনটি নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে ড্রেন সংলগ্ন বাসিন্দাদেরকে দুর্গন্ধের মধ্যেই বসবাস করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইদ্রিস আলী, সাইদুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম, সম্ভু অধিকারী ও আজিজার হোসেন বলেন, শীত, বর্ষা বা গ্রীষ্মকাল বলে কিছু নেই, সারাবছরই দুর্গন্ধময় ড্রেনের পানিতে রাস্তা ভাসছে। কোনটি রাস্তা আর কোনটি ড্রেন তা চেনা মুশকিল। দেখে মনে হয়, রাস্তাই ড্রেন, ড্রেনই রাস্তা! রাস্তা আর ড্রেনের সীমানা বুঝতে না পারায় ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল আরোহীরা ড্রেনে উল্টে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এ কারণে এলাকার মেসে বসবাসকারি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর হারান দত্ত বলেন, ওই রাস্তা সংলগ্ন ড্রেনের পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ তৈরি করা হয়েছে। দু’-একদিনের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে। পৌর মেয়র মো. মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, ড্রেনের পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না করেই পূর্বে অপরিকল্পিতভাবে ওই ড্রেনগুলো নির্মাণ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীকে দুর্ভোগমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১০ আগষ্ট, ২০২১ ইং
ফজর৪:১১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৩৯
এশা৭:৫৭
সূর্যোদয় - ৫:৩২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৪
পড়ুন