নাগেশ্বরীতে গো খাদ্যের সংকট
১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
g নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

নাগেশ্বরীতে চলতি বন্যায় পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে বিস্তীর্ণ চারণভূমি। তীব্র খাদ্য সংকটে পড়েছে গৃহপালিত পশু। তাদের রক্ষায় হিমসিম খেতে হচ্ছে কৃষককে।

এবার ভয়াবহ বন্যায় ডুবে গেছে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা। ভেসে গেছে ঘর-বাড়ি, শুকনো খরসহ অনেক কিছু। তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ফসল ক্ষেত ও তৃণভূমি। ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় প্রখর রোদে পানি গরম হয়ে পচে নষ্ট হয়ে গেছে তলিয়ে থাকা সে ফসল ক্ষেত ও তৃণভূমি।

অপর দিকে, অপেক্ষাকৃত কিছু উঁচু চারণভূমি থেকে একটু তাড়াতাড়ি পানি নেমে গেলেও পলির পুরু স্তর জমেছে সবুজ ঘাসে। এ অবস্থায় তীব্র খাদ্য সংকটে পড়েছে গৃহপালিত পশুগুলো।  অসহায় গরুগুলোর মুখে একমুঠো খাবার তুলে দিতে কৃষক ছুটছেন শুকনো খড়ের সন্ধানে। পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে চড়া দামে কিছু শুকনো খর কিনে পশুর পেটের ক্ষুধা নিবারণের চেষ্টা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। প্রতিমণ খড় বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকায়। চরাঞ্চলের বাইরে কিছু এলাকায় কৃষকের সংগ্রহে সামান্য খর থাকলেও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে সে মজুদ। তখন হয়তো অধিক দামেও মিলবে না একমুঠো খড়।

সবুজ ঘাস না থাকায় খাদ্যের অভাবে শুকিয়ে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে ছাগল-ভেড়াগুলো। অনেকেই কম দামে বেচে দিচ্ছেন সেগুলো। উপজেলার বন্যা-কবলিত সকল ইয়নিয়ন ও পৌরসভা ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।  বামনডাঙ্গা তেলিয়ানীরকুটির আবু তালেব, ওসমান গণি, রিয়াজুল ইসলাম, আবুল কাশেম, আবুল হোসেন, বেরুবাড়ী খেলারভিটা গ্রামের বিরল, রাজেন, শরত্ চন্দ্র, বল্লভেরখাসের মনছুর আলী, নুর মোহাম্মদ, নুর আসলাম, আজিজার রহমানসহ এ সব এলাকার কৃষকরা বলেন—বন্যা পরবর্তী সরকার, কিছু বে-সরকারি সংস্থা ও ব্যক্তি বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ-সহায়তা দিলেও গৃহপালিত পশুগুলোর কথা কেউ ভাবে না। খাদ্য সংকটে তাদের দিন কাটছে অনাহারে। চোখের সামনে তাদের দুরবস্থায় ব্যথিত হলেও আমরা নিরুপায় হয়ে গেছি। কিভাবে তাদের বাঁচাব ভেবে পাচ্ছি না।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৪:২৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:২৩
মাগরিব৬:১০
এশা৭:২৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৪সূর্যাস্ত - ০৬:০৫
পড়ুন