সোনাতলায় স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত
১১ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
g মোশাররফ হোসেন, সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা

বগুড়ার সোনাতলা সরকারি নাজির আখতার কলেজের পাশে খালের ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকোটির বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জনসাধারণ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। উপজেলা সদর থেকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থিত খালটি উত্তর দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত ভেমটি ঘাট থেকে বয়ে দক্ষিণে রাণীরপাড়ায় বাঙ্গালী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। বেশ দূরত্ব এলাকার মধ্যে ৩টি ব্রিজ থাকলেও কলেজটির পূর্ব-উত্তর পাশে মসজিদ সংলগ্ন খালের ওপর কোনো ব্রিজ নেই। ওই মসজিদের পূর্ব দিকে খালের তীরে রয়েছে বিশাল একটি ঈদগাহ। আরো রয়েছে বহু আবাদি জমি, বিশুরপাড়া বাইগুনি, মুন্ডমালা, বিশুরপাড়া গ্রাম ও ঐতিহ্যবাহী জুমারবাড়ি হাট। সাঁকোর পশ্চিম পাশে মসজিদ সংলগ্ন রয়েছে পাকা রাস্তা। এখান থেকে রাস্তাটি উপজেলা সদর রাস্তার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মানুষজন খরা মৌসুমে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে সরকারি নাজির আখতার কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, উপজেলা পরিষদ, সোনাতলা বাজার, হাসপাতাল, রেলস্টেশন, জুমারবাড়ি হাট, বিশুরপাড়া, মুন্ডমালা গ্রামসহ অন্যান্য স্থানে যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু বর্ষা ও বন্যার সময় ব্রিজের অভাবে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা সম্ভব হয় না। অথচ মসজিদ সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি ব্রিজ অভাবে ঘুরে দূরের ব্রিজ দিয়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছুতে হয়। এতে একদিকে হয়রানি, অন্যদিকে সময় অপচয় হয়। বন্যার সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকাযোগে খাল পারাপার হয়ে মুসল্লিদের ওই ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়। দু’বছর পূর্বে স্থানীয় কাজী বাড়ি ও আকন্দ বাড়ির যুবকরা নিজ উদ্যোগে বাঁশ, লোহা ইত্যাদি সংগ্রহ করে স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় ৮০ গজ দৈর্ঘ্যের বাঁশের একটি সাঁকো নির্মাণ করে। এবারের ভয়াবহ বন্যার পানির খরস্রোতে ও আকস্মিক কচুরিপানার চাপে সাঁকোটির একাংশ ভেসে যায়। ফলে সাঁকোর ওপর দিয়ে মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৯
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৫৮
মাগরিব৫:৪০
এশা৬:৫১
সূর্যোদয় - ৫:৫৪সূর্যাস্ত - ০৫:৩৫
পড়ুন