পূজায় বেড়াতে এসে হিলি সীমান্তে শিশুসহ ৯ ভারতীয় গ্রেফতার
১১ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
g হাকিমপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা

বেশ কয়েক বছর পর জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় বালিগ্রামে বাবার বাড়িতে পূজার সময় বেড়াতে আসেন কমলা দেবী (৩৫)। সঙ্গে আনেন তার দুই ছোট মেয়ে আস্তা (৩) ও আরতী (১) এবং তার বোনের মেয়ে শিল্পী রানী (৩০), রানীর স্বামী চরণ সিং (৪০) এবং তাদের চার ছেলে-মেয়ে কারিনা (৯), খশবু (৪), সচিন (৭) ও নিতিন (২)। এরা সবাই ভারতের উত্তরপ্রদেশের বাড়ালি জেলার সাই থানার বাসাইল গ্রামের বাসিন্দা।

হাকিমপুর থানার ওসি আব্দুস সবুর বলেন, গ্রেফতারদের গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ সময় বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

কমলা দেবী বলেন, ভারতে বিয়ে হওয়ার পর দীর্ঘ কয়েক বছর পর বাবার বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে পূজার সময় আসি। সে কারণে পূজা শুরু হওয়ার ১০ দিন আগে বাড়ি থেকে রওনা দেই। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতের হিলি সীমান্তে আসলে বাংলাদেশে পার করার জন্য একজন দালাল আমাদের কাছে দুই হাজার রুপি নেয়। এ সময় ওই দালাল আবার বাংলাদেশের এক দালালের কাছে তুলে দেয়। তখন ওই দালাল আবার আমাদের কাছে ১১ হাজার টাকা নিয়ে এপারে আনে। এরপর আমরা বাবার বাড়িতে যাই। 

তিনি আরো বলেন, সোমবার দুপুরে দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য ওই দালালকে বললে সে আমাদেরকে বলে বিজিবিকে টাকা না দিলে ওপারে যাওয়া যাবে না। এ জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করলে আমরা টাকাটা দিয়ে দেই। কিছুক্ষণ পর বিজিবি আমাদের আটক করে। আমরা দালালকে চিনি না। এ বিষয়ে জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে মংলা বিশেষ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মাহমুদুল আলম বলেন, বিজিবি যদি টাকা নিত, তাহলে তো তাদের আটক করতো না। এটা মিথ্যা অভিযোগ।

তিনি আরও বলেন, ভারতীয় কয়েকজন নারী-পুরুষ ও শিশু ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের জন্য মংলা সীমান্তের ২৮৭ মেইন পিলারের কাছে জড়ো হয়। এ সময় গোপন সংবাদ পেয়ে তার নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাদের ভারতীয় বলে সন্দেহ হলে আটক করে ক্যাম্পে আনা হয়। এ ব্যাপারে বিজিবি’র হাবিলদার রফিক বাদী হয়ে ওইদিন বিকালে হাকিমপুর থানায় পাসপোর্ট আইনে মামলা করেছে।

 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৯
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৫৮
মাগরিব৫:৪০
এশা৬:৫১
সূর্যোদয় - ৫:৫৪সূর্যাস্ত - ০৫:৩৫
পড়ুন