যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন
ইত্তেফাক ডেস্ক১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী গতকাল শনিবার ৪৭তম বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

রাজশাহী:দিবসের প্রথম প্রহরে ভূবনমোহনপার্ক শহীদ মিনারে জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আসাদুজ্জামান এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকুর নেতৃত্বে ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ এবং রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টুর নেতৃত্বে জেলা ও মহানগর বিএনপি সকালে রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে সাবেক মেয়র ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপাচার্য প্রফেসর এম আব্দুস সোবহান ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহার নেতৃত্বে প্রশাসন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশাসন, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ শহীদ মিনারে রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মাসুম হাবিবের নেতৃত্বে প্রশাসন ও মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, রাজশাহী কোর্ট শহীদ মিনারে বিভাগীয় কমিশনার মো. নূর-উর রহমানের নেতৃত্বে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এখানে সকালে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার।

রংপুর:রাত ১২টা ১ মিনিটে রংপুর পুলিশ লাইন মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়। পরে রংপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রংপুর সিটি করপোরেশন, রংপুর বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি (এ), জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মহানগরীর মর্ডান মোড়ে অর্জন স্মৃতিস্তম্ভে রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। পরে জেলা প্রশাসন, ডিআইজি, পুলিশ প্রশাসন পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। জেলা প্রশাসন আয়োজিত অন্যান্য অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে ছিল রংপুর স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, বিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কারারক্ষী, স্কাউট, গার্লস ইন স্কাউট, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, শিশু সংগঠনের সদস্য-সদস্যাবৃন্দের কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত, বিভিন্ন সিনেমা হলে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, রংপুর টাউন হল মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের/শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবর্ধনা প্রদান, বাদ জোহর বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, দুপুরে হাসপাতাল, এতিমখানা, জেলখানা, ভবঘুরে আশ্রয়কেন্দ্র ও শিশু কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, মহিলাদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান।

পাবনা:মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পাবনা কলেজের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি, রক্ত পরীক্ষা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পাবনা কলেজের অধ্যক্ষ জু. হা. মোহাম্মদ আতিকুল্লার সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ রাশেদ হোসেন ফারুক রনির সঞ্চালনে কলেজ শিক্ষক মিলনায়তনে দিবসের তাত্পর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক কাজী হামিদুর রহমান, সহ-অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, সহ-অধ্যাপক সালাউদ্দিন, প্রভাষক খোন্দকার মনিরুল ইসলাম মিরণ, প্রভাষক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেল, প্রভাষক শারমিন আক্তার, প্রভাষক তন্দ্রা চক্রবর্ত্তী, প্রভাষক তানজিলা ইতিসহ আরো অনেকে। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন শিক্ষক আলহাজ আরিফ বিল্লাহ।

সিরাজগঞ্জ:এ উপলক্ষে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ভোরে মুক্তির সোপানে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকালে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। এরপর শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়াম থেকে বিজয় র্যালি বের হয়ে শহীদ এম মনসুর আলী অডিটরিয়ামে এসে শেষ হয়। ১১.৩০ শহীদ এম মনসুর আলী অডিটরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

লালমনিরহাট:সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ডিসপ্লে প্রদর্শন। সকাল ১১টায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন হতে বিজয় র্যালি বের হয়। র্যালি শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদ্যস অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সফিউল আরিফ, পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান প্রমুখ।

নীলফামারী :সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরের চৌরঙ্গি মোড়ে স্বাধীনতা স্মৃতি অম্লানে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, নীলফামারী চেম্বার ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পাল্য অর্পণ করেন। এদিকে নীলফামারী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম।

জয়পুরহাট : জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জাসদ, সিপিবি, জাপা, বাসদ, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে শহীদদের স্মরণে পুষ্পের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। সকাল ৯টায় স্টেডিয়ামে শিশুকিশোর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্কাউটস, রোভার, বিএনসিসি, কাব-স্কাউটস, শিশুকিশোর সংগঠনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। জেলা প্রশাসক মো. মোকাম্মেল হক ও পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করেন এবং মনোজ্ঞ ডিসপ্লে শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুল আহসান তালুকদারসহ জেলা পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁ : সূর্যোদয়ের সময় জেলা প্রশাসক ড. আমিনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশিদুল হক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী বকু, নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নজমুল হক সনি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সিভিল সার্জন, আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন, বিএনপির অঙ্গ সংগঠন, সিপিবি, বাসদ, জাসদ, একুশে পরিষদ, জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদ নওগাঁসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিনাজপুর: এ উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে স্মৃতিসৌধে সূর্যোদ্বয়ের সঙ্গে সঙ্গে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এমপি এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলম। শনিবার সকাল ৯টায় জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি, সিপিবি, বাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দুপুরে দিনাজপুর জেলা পরিষদ বন্ধন কমিউনিটি সেন্টারে মুক্তিযোদ্ধাদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। এ সময় প্রায় ২ হাজার মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। তাদের ফুলের রজনীগন্ধা স্টিক দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপাল কাহারোল উপজেলা চত্বরে শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন এবং দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলি সাদিক নবাবগঞ্জ উপজেলা স্মৃতিসৌধে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ:জেলা প্রশাসন আয়োজিত সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলা স্টেডিয়ামে ৩১ বার তোপধ্বনি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে সকাল সাড়ে ৬টায় পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকল সরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জেলা স্টেডিয়ামে সকাল সাড়ে ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ১১টায় শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ অডিটোরিয়ামে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সন্ধ্যা ৬টায় হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ এমপির নেতৃত্বে বিজয় র্যালি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

নাটোর:ভোরে নাটোর সদর থানা চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনি দিয়ে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকায় স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল, জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুদার, নাটোর পৌরসভার মেয়ন উমা চৌধুরী জলি, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাজেদুর রহমান খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এদিকে নাটোরের সিংড়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বগুড়া:শহরের ফুলবাড়ীতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ মুক্তির ফুলবাড়ীতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিফলকে প্রথমে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক নুরে আলম ছিদ্দীকি। এরপর পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। শহীদ মিনার ও শহীদ স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে শহরতলীর ঠেঙ্গামারায় মাসব্যাপী বিজয় মেলায় উদ্বোধন করা হয়েছে। মেলার উদ্বোধন করেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন। টিএমএসএস এর নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বেগম উপস্থিত ছিলেন ।

কুড়িগ্রাম:মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার দৃপ্ত শপথ নিয়ে কুড়িগ্রামে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়। পরে কুড়িগ্রাম স্টেডিয়াম মাঠে আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও মার্চ পাস্টের অভিবাদন গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান ও পুলিশ সুপার মো. মেহেদুল করিম।

পঞ্চগড়:প্রশাসনসহ জেলার বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান একে একে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ  করেন। সকালে পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্যারেড ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পঞ্চগড় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমানুল্লাহ বাচ্চু, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক অমল কৃষ্ণ মণ্ডল, পুলিশ সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন আহমদ, পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, সাবেক জেলা কমান্ডার মির্জা আবুল কালাম দুলাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁও: অপরাজেয় ৭১’ স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও ১ আসনের এমপি রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমপি দবিরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল, পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেক কূরাইশী, সিভিল সার্জন ডা. আবু মো. খায়রুল কবির, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. গোলাম কিবরিয়া মণ্ডল, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু বক্কর ছিদ্দিক, ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান মাহফুজ কবির, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অরুনাংশু দত্ত টিটো, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহ মো. এ্যাপোলো, যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ আপেল, ছাত্রলীগের সভাপতি মাহাবুবর হোসেন রনি, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ফিরোজ আমিন সরকার, জেলা অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ প্রমুখ।

গাইবান্ধা:স্থানীয় স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল। পরে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ। পরে স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি এমপি।

এ ছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাট, নাগেশ্বরী, নীলফামারীর সৈয়দপুর, ডোমার, জলঢাকা, ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল, পীরগঞ্জ, নাটোরের বড়াইগ্রাম, বগুড়ার ধুনট, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনার সাঁথিয়া, চাটমোহর, নওগাঁর ধামইরহাট, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ, রংপুরের পীরগাছা, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, কাজীপুর, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, লালমনিরহাটের পাটগ্রামসহ বিভিন্ন উপজেলায় অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হয়।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৭ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩
পড়ুন