গঙ্গাচড়ায় পাঁচ জয়িতাকে সংবর্ধনা
গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা২০ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
গঙ্গাচড়ায় পাঁচ জয়িতাকে সংবর্ধনা
গঙ্গাচড়ায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন “জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার পাঁচ নারীকে জয়িতার পুরস্কার ও সংবর্ধনা দেওয়া হয় ।

উপজেলার পাঁচ জয়িতা হলেন, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী মোহছেনা বেগম, সফল জননী রশিদা বেগম, সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখার ক্ষেত্রে মিনা বেগম, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী আইরিন বেগম ও নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে আদুরী বেগম।

এদের একজন আদুরী বেগম। বাড়ি উপজেলার মনিরাম গ্রামে। বাবা আব্দুল বারী। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য আদুরীর ওপর চলে স্বামীর বাড়ির লোকজনের নির্যাতন। এক সময় সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বাপের বাড়িতে এনে তাকে চিকিত্সা দিয়ে সুস্থ করে তোলে। পরবর্তীতে স্বামীর বাড়ির লোকজন তাকে আর নিতে আসেনি। এমতাবস্থায় বেকায়দায় পড়ে আদুরী বেগম। পরে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক থেকে সেলাই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। শুরু হয় পাল্টে যাওয়ার। সে এখন ব্যস্ত নারী।

মোহসেনা বেগম। বাবা মোফাজ্জল হোসেন। বাড়ি উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামে। সংসারের ভার লাঘব করতে এসএসসি পাস করার পর তার বাবা তাকে বিয়ে দেয়। বিয়ে দেওয়ার পর নিজের উদ্যোগে সে পর্যায়ক্রমে এইচএসসি, বিএ ও কারমাইকেল কলেজ থেকে এমএ পাস করে। সে বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে সংসারের হাল ধরেছে।

সফল জননী রশিদা বেগম। নিজে স্বশিক্ষিত হয়ে তার দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করেছেন। বড় ছেলে বর্তমানে পিএইচডি করছে জাপানে। 

মিনা বেগম। বাড়ি উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের তিস্তার চরাঞ্চলে। তিনি একজন সমাজ কর্মী। সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তার নামে চরাঞ্চলে একটি বাজারের নাম দেওয়া হয়েছে মিনা বাজার।

আইরিন বেগম। বাড়ি গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নে। সামান্য মুদি দোকান থেকে তিলে তিলে গড়ে ওঠা একজন সফল খামারি। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী আইরিন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৭
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পড়ুন