সৈয়দপুরে মশার উত্পাতে অতিষ্ঠ জনজীবন
পৌরসভার মশা নিধন কার্যক্রম শুরু
৩০ এপ্রিল, ২০১৮ ইং
সৈয়দপুরে মশার উত্পাতে অতিষ্ঠ জনজীবন
মো. আমিরুজ্জামান, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

সৈয়দপুর শহরে মশার উত্পাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। মশার যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে প্রতি মাসে বিপুল অঙ্কের টাকা ব্যয় করছে শহরবাসী। মশা নিধন করতে কয়েল অ্যারোসলসহ বিভিন্ন উপকরণ কিনতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। তবু মশার হাত থেকে নিস্তার নেই কারও। দিনে-রাতে মশার উপদ্রব দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক কাজ-কর্ম বিঘ্নিত হচ্ছে। একই সঙ্গে মশাবাহিত রোগ-বালাই আতঙ্কে ভুগছেন অনেকে।

এদিকে মশার উত্পাত বৃদ্ধিতে শহর জুড়ে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করেছে সৈয়দপুর পৌরসভা। গত ১ এপ্রিল পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার মশা নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। অভিযানে পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ড্রেন, নর্দমাসহ মশার আবাসস্থলে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে শত কিলোমিটারের বেশি ড্রেন-নর্দমা রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে বহু ডোবা, জলাশয় ও মজা পুকুর। মশার এসব আবাসস্থলে মশার বিস্তার রোধ করতে নিয়মিত পরিচ্ছন্ন কাজ করছে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন শাখা। সেই সঙ্গে পরিচালনা করা হচ্ছে মশক নিধন অভিযান।

সরেজমিনে পৌরসভার বাঁশবাড়ি, মিস্ত্রীপাড়া, হাতিখানা, মুন্সিপাড়া, ইসলামবাগ, রসুলপুর, গোয়ালপাড়া ও নয়াটোলো এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কার করা হলেও ড্রেনে পানি আবদ্ধ হয়ে থাকায় মশার বংশ বিস্তার হচ্ছে। এ ছাড়া ডোবা, জলাশয় ও মজা পুকুর মশার উত্পত্তিস্থলে পরিণত হয়েছে। এতে করে কয়েল এখন দরকারি পণ্যে পরিণত হয়েছে।

নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা রুহুল আলম মাস্টার জানান, মশা নিধনে পৌরসভার ওপর ছেড়ে দিলে হবে না। এর সঙ্গে শহরবাসীকে সচেতনতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। নিজের আবাসস্থল পরিচ্ছন্ন রাখতে বসবাসকারীদের সহযোগিতা করতে হবে। বাড়ির ময়লা-আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলা উচিত। এমনটি করা হলে মশার উত্পাত অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

অভিযুক্ত ঠিকাদার হেলাল উদ্দিন নাসির এ অভিযোগ স্বীকার করে দাবি করেন, ভাটা থেকে তিনি ভালো ইট চাইলেও তারা সাইডে খারাপ ইট দেয়। খারাপ ইটগুলো তুলে নিয়ে ভালো ইট দিয়েই কাজ করবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা প্রকৌশলী এএসএম শরিফ খান বলেন, ‘ওই ঠিকাদারকে খারাপ ইট তুলে নিয়ে নতুন ইট দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই নিম্নমানের কাজ করতে দেওয়া হবে না।’ কাজটি নিয়মিত মনিটরিং করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন