বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স
ক্যাম্পাস প্রতিবেদক১১ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স
 

ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার বোর্ডবাজারে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)। নাম শুনে অনেকের মনে কিছুটা অনাগ্রহ থাকলেও এখানে যারা উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতা ভিন্নরকম। বাউবিতে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি অনার্স প্রোগ্রামসহ মাস্টার্স এবং বিবিএ, এমবিএ প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। বাউবিতে শিক্ষার্থীরা স্বল্প খরচে ডিগ্রীধারী হচ্ছেন। ইতোমধ্যেই চার বছর মেয়াদি বিএসসি (অনার্স) ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং চালু হয়েছে।

১৪৮ ক্রেডিট বিশিষ্ট কারিকুলাম ও সিলেবাস হওয়ায় এই কোর্সের গ্রহণযোগ্যতাও বেশি। ইতোমধ্যেই চারটি ব্যাচে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সফটওয়ার, নেটওয়ার্কিং, ডিজিটাল ও হার্ডওয়্যার ইত্যাদি ল্যাবসমূহে ক্লাস করতে পারছে। পাশাপাশি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট বা বিভিন্ন প্রোজেক্ট তৈরি করছে।

সিএসই প্রোগ্রামের ১ম বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী নওরীন এশা বলেন, ‘অজানা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম না জানি কি হয়!’ পরে পাঠদান কৌশল এবং ল্যাবসহ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সাথে পরিচিত হয়ে সে ধারণা পরিবর্তন হয়েছে। লিয়াকতউল্লাহ বলেন, কোথাও সুযোগ না পেয়ে বাউবি’র সিএসই’তে ভর্তি হলাম। প্রথমে হতাশায় ছিলাম। এখন বেশ ভাল আছি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সিএসই প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিস্টারের ক্লাস পারফর্মেন্স, ক্লাস অ্যাটেনডেন্স, ক্লাস টেস্ট, কুইজ, বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্ট এবং সেমিস্টার ফাইনালে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক অনুসৃত গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৬ মাসব্যাপ্তি সেমিস্টারে একজন শিক্ষার্থীকে ল্যাব ক্লাস নিয়ে এবং অ্যাসাইমেন্ট ইত্যাদি তৈরিতে ভীষণ ব্যস্ত থাকতে হয়।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৯
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৫৮
মাগরিব৫:৪০
এশা৬:৫১
সূর্যোদয় - ৫:৫৪সূর্যাস্ত - ০৫:৩৫
পড়ুন