প্রকৌশল পেশাদার হতে চাইলে
০২ ডিসেম্বর, ২০১৫ ইং
শেখ সাদি

 

এসএসসি, এইচএসসি পর সময়টা জীবন গড়তে এই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে পড়ালেখা করতে গেলে পছন্দের বিষয় সামনে রেখেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। তবে কোন বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করলে আলোকিত ভবিষ্যত্ তৈরি হবে তা অনেকেই জানে না। আর এটি নিয়ে রীতিমতো শঙ্কিত বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। তাদের উদ্দেশ্যে বলা যায়, উচ্চমাধ্যমিকের পর প্রকৌশলকে পেশা হিসেবে নিতে পারলে তার চাহিদা রয়েছে বিশ্বজুড়েই। সময়ের সাথে প্রকৌশল পেশারও পরিধি ব্যাপকতর হয়েছে। এদিক দিয়ে এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনািরিংয়ের চাহিদা এই সময়ে বেড়েছে অনেক বেশি।

উড়োজাহাজের প্রকৌশলের কাজে যারা নিয়োজিত থাকে তাদের বলা হয় উড়োজাহাজ ইঞ্জিনিয়ার। এর জন্যে কয়েক ধাপে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন পড়ে। এই পেশায় আসতে আগ্রহীদের অনেকেই এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানেন না। তাদের জন্যই এমএমই লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজি (www.catechedu.com)।

এই ডিগ্রির আরো কিছু নাম আছে; যেমন—অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার, উড়োজাহাজ প্রকৌশলী প্রভৃতি। আমাদের দেশে এই বিষয়টি অনেকের জন্যে নতুন মনে হতে পারে। কিন্তু এএমই লাইসেন্স অর্জনে এটি নতুন কোনো সাবজেক্ট নয়। এদেশে সম্প্রতি এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হওয়ার কারণে সবাই কম খরচে অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারছে।

অবশ্য অল্প সময়েও কোর্সটি করা যায়। এ ক্ষেত্রে শ্যানন অ্যারোস্পেসের অধীনে ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে ইএএসএ কমন মডিউলে থিওরিটিক্যাল সম্পন্ন করে প্রাকটিক্যাল শিক্ষার জন্যে চলে যেতে হবে আয়ারল্যান্ডের শ্যানন এয়ারপোর্টে। থিওরিটিক্যাল শিক্ষার মধ্যে রয়েছে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স  ফান্ডামেন্টাল, মেইনটেন্যান্স, ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড হার্ডওয়ার, ডিজিটাল টেকনিকস, বেসিক অ্যারোডায়নামিকস, হিউম্যান ফ্যাকটর, এভিয়েশন লেজিসলেশন। প্র্যাকটিক্যাল টাইমে শ্যানন অ্যারোস্পেসে প্রত্যেক শিক্ষার্থী সার্টিফিকেট পাওয়ার আগ পর্যন্ত মাসে পাঁচশ ডলার করে সম্মানী পাবে। আর সার্টিফিকেট পাওয়ার উন্মুক্ত হয়ে যাবে চাকরির সুযোগ, যাতে শুরুতেই বেতন হতে পারে দুই হাজার ইউরো।

এসএসসি/এইচএসসি, এ-লেভেল/ও-লেভেল সম্পন্নকারীরা এই কোর্সটি করতে পারবে। চার বছরে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাবোর্ড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অনার্স ডিগ্রি অর্জন করা যায়। এক্ষেত্রে ১৮ মাস পর পায় আন্তর্জাতিক ধারার সার্টিফিকেট লেভেল থ্রি বা এনডি। এর পর আঠারো মাসের লেভেল ফাইভ বা এইচএনডি। এরপর ফাইনাল ইয়ার বা চতুর্থবছর পায় টপ-আপ বিবিএ বা বিএসসি। এর শিক্ষা পদ্ধতি অনেক সহজ। এই কোর্সে বিশ্বের ১৭৩টি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। আনন্দের বিষয়, লেভেল-৬ এখন ক্যাটেক থেকেই করা যায়।

অন্যরকম এই প্রকৌশল পেশায় আসতে রয়েছে এনডি, এইচএনডি ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স প্রভৃতি। এ কলেজের অনেক শিক্ষার্থীই এখন দেশ-বিদেশের অনেক এয়ারলাইন্সে চাকরি করছেন এবং অনেকেই ক্রেডিট ট্রান্সফার করে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন উন্নত দেশগুলোতে। বিটেক, এডেক্সেল, ফিবা, কারিগরি শিক্ষাবোর্ড, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকরিডিটেশন অর্গানাইজেশন প্রভৃতির আওতায় এসব কোর্স পরিচালনা করছে ক্যাটেক। এখানে প্রতিটি বিষয়ে আসন সংখ্যা ৩০। ভর্তি ফরম কলেজ ক্যাম্পাস থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:০৪
যোহর১১:৪৮
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২৪সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পড়ুন