ভিন্ন ধারার মার্কস মেডিকেল কলেজ
১১ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
ভিন্ন ধারার মার্কস মেডিকেল কলেজ
ভিন্ন ধরনের স্বাপ্নকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকায় মার্কস মেডিকেল কলেজ (এমআরএমসি) মার্কস গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০১১ সালে যোগ হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দক্ষ চিকিত্সক তৈরিই ছিল এ কলেজটির মূল লক্ষ্য। এ বছর এমআরএমসিতে ৭ম ব্যাচের এমবিবিএস কোর্সে ২০১৭-১৮ সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। সরকার ঘোষিত এ বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মার্কস মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে পারবে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১৪তে এ/৩ প্রধান সড়কে মার্কস মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১১-১২ সেশনে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে। বিশিষ্ট চিকিত্সক ও শিক্ষানুরাগী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান (এমআর) খান এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন। বর্তমানে উপাধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক ডা. ইকবাল মাসুদ খান এবং সার্বিক প্রশাসনিক বিষয়াদি দেখাশোনা করেন দি মার্কস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারিক মাসুদ খান। এ কলেজের পাঠদানে যুক্ত আছেন উচ্চ ডিগ্রিধারী একদল অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী, যার নেতৃত্বে রয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ। এমআরএমসির রয়েছে নিজস্ব ক্যাম্পাসে ডিজিটাল প্রযুক্তিসমদ্ধ শ্রেণিকক্ষ, লেকচার গ্যালারি, কম্পিউটার ও পরীক্ষাগার কক্ষ। এখানকার পাঠদান পদ্ধতি খুবই আধুনিক। এ কলেজের রয়েছে প্রয়োজনীয় সংগ্রহসহ সমদ্ধ কেন্দ্রীয় আধুনিক গ্রন্থাগার। গ্রন্থাগারে পর্যাপ্ত অভিধান, সহায়ক গ্রন্থ, পাঠ্যবই, স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল, ম্যাগাজিন ও দৈনিক পত্রিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আরো জানতে কল করতে পারেন ৯৮৩৪০৩১ এই নম্বরে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অধ্যয়নের ব্যবস্থাও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেলের ব্যবস্থা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কের প্রতি যত্নবান। শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা সম্পর্কে আমরা সচেতন। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সঙ্গে  যোগাযোগ করতে পারে। আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। ইতোমধ্যে আমাদের পাস করা শিক্ষার্থীরা নিজস্ব ক্যাম্পাসের ৩৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ ট্রেনিং করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিজস্ব ক্যাম্পাস থাকায় এখানকার শিক্ষার্থীরা সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পাচ্ছে।’ কলেজের সার্বিক বিষয় সম্পর্কে তারিক মাসুদ খান বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকবেলার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য করণীয় সব কিছু করছি। তাদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রথমবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কোর্স, ৫ শতাংশ ফ্রি-কোটা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও উপজাতীয় কোটাসহ সব কোটা পূরণ করে থাকি।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৯
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৫৮
মাগরিব৫:৪০
এশা৬:৫১
সূর্যোদয় - ৫:৫৪সূর্যাস্ত - ০৫:৩৫
পড়ুন