অপসারণ হচ্ছে নদী তীরের অবৈধ ধর্মীয় স্থাপনা
১৫ সদস্যের কমিটি গঠন
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
অপসারণ হচ্ছে নদী তীরের অবৈধ ধর্মীয় স্থাপনা
বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চার নদী তীরে গড়ে ওঠা ৪৩টি অবৈধ ধর্মীয় স্থাপনা অপসারণে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে সরকার। কমিটিকে তদন্ত করে এক মাসের মধ্যে নৌ মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির আরিফ মাহমুদকে প্রধান করে ১৫ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়। তবে কমিটিতে আরো সদস্য যুক্ত হতে পারেন। বৈঠকে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত এবং অপসারণ ও স্থানান্তরের ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

গতকাল বুধবার আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। নৌ পরিবহনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নৌ পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ঢাকার চারপাশে চার নদী তীরবর্তী সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কেননা নদী তীরের সরকারি জায়গা দখল করতে এবং দখল করা জায়গা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অসত্ উদ্দেশ্যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন গুটিকয়েক লোক।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৭৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। জমি উদ্ধার করা হয়েছে ২১৫ দশমিক ৭৩ একর এবং পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে ৭৬০টি।

শাজাহান খান বলেন, যারা সরকারি সম্পত্তিতে কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়ে অসত্ উদ্দেশ্যে ধর্মীয় স্থাপনা মসজিদ, মন্দির নির্মাণ করেছেন, সেই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান অপসারণ করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের সুযোগ নেয়ার সাহস না পায়।

এছাড়া নদী তীরবর্তী স্থানে সরকারি জায়গায় অনুমোদন না নিয়ে সত্ উদ্দেশ্যে যারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান করেছেন, সেই সব প্রতিষ্ঠানও স্থানান্তর করা হবে। নদী দখলমুক্ত রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান নৌমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ৪৩টি অবৈধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। 

কমিটিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা থাকবেন জানিয়ে নৌমন্ত্রী বলেন, নদী দখলমুক্ত রাখতে গঠন করা কমিটিতে নৌ মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, ভূমি মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, ইসলামী ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি, বায়তুল মোকাররম মসজিদের একজন প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধিরা এ কমিটিতে থাকবেন।  

মন্ত্রী বলেন, নদী তীরে সরকারি সম্পত্তিতে ওয়াক্ফ ছাড়া যাতে অবৈধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান না হয়, সে জন্য স্থানীয় পর্যায়ে মসজিদের ইমামদের বয়ান দিতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন