শিশুদের রঙ-বেরঙের পোশাক
ঈদ কেনাকাটা
ইত্তেফাক রিপোর্ট১৩ জুন, ২০১৬ ইং
শিশুদের রঙ-বেরঙের পোশাক
ঈদের পোশাক ঘিরে শিশুদের থাকে নানা জল্পনাকল্পনা। নিজেদের পোশাক নিয়ে উদাসীন থাকলেও অভিভাবকরা সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি কিনে দিতে চান সন্তানকে। ঈদের অনেক আগেই অভিভাবকরা শিশুদের কেনাকাটা করে ফেলতে চান। ভিড় এড়ানোই তাদের উদ্দেশ্য।

মেয়ে শিশুদের জন্য ঘের দেয়া লম্বা কামিজ যেমন চলছে, তেমনি ছেলে শিশুদের পাঞ্জাবিতে লাইন কাটের ব্যবহার বেশি এবার। শিশুরা সারাদিন জমকালো পোশাক পরে থাকতে পারে না। সেজন্য সুতি, ডেনিম বা জিনসের প্যান্ট, খাটো হাতার শার্ট ও ফতুয়া দেয়া যেতে পারে। এবার মেয়ে শিশুদের জন্য পার্টি ফ্রক, ঘাগড়া চোলি ও লেগিংসের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি সালোয়ার-কামিজও পরতে পারে এবারের ঈদে। কাতান, টিস্যু, মসলিন ও সার্টিনের ব্যবহার ভালো লাগবে পার্টি পোশাকে। এছাড়া সুতির কাপড় তো রয়েছেই।

নকশায় প্রাধান্য পাচ্ছে কারচুপি, এমব্রয়ডারিসহ হাতের কাজ। এছাড়া রয়েছে সিল্ক, ধুপিয়ান, মসলিন কাপড়ের পার্টি পোশাক। বাচ্চাদের জন্য বরাবরের মতো এবারও বেছে নেয়া হয়েছে উজ্জ্বল রং। আড়ং, রঙ, নিত্য উপহার, মেঘ, বরণ, যাত্রাসহ ছোট-বড় সব ফ্যাশন হাউজ ঈদকে সামনে রেখে তাদের নিজেদের ডিজাইন মেলে ধরেছে শিশুদের রঙ-বেরঙের পোশাক দিয়ে।

ঈদ সামনে রেখে আড়ং মেয়ে শিশুদের জন্য এনেছে হাতের জমকালো কাজ করা সালোয়ার কামিজ, ঘাঘড়া চোলি। সালোয়ার ও প্যান্টের কাজে নকশা এবং কাটে দেখা গেছে বৈচিত্র্য। ছেলে শিশুদের পাঞ্জাবিতে কাপড় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এন্ডি, সিল্ক, মসলিন ও খাদি।

ছোট শিশুদের পছন্দসই জামা কিনতে চাইলে আপনার বাজেট হতে হবে ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। সাধারণ মার্কেটগুলোতে মোটামুটি অল্প দামেই পেয়ে যাবেন শিশুদের ঈদের জামা। কিন্তু একটু অভিজাত বিপণিতে গিয়ে ভিন্ন ধরনের কিছু খুঁজতে চাইলে বেশ ভালোই বাজেট প্রয়োজন হবে।

নগরীর প্রায় সব কাপড়ের দোকানেই আছে ছোট শিশুদের জামা। নিউমার্কেটের ফুটপাথ থেকে শুরু করে গুলশান-বনানীর বড় বড় দোকানগুলোতে শোভা পাচ্ছে ছোট্ট শিশুদের রঙ-বেরঙের জামা। একটু স্মার্ট ও সিম্পল পোশাক চাইলে যেতে পারেন ওয়েস্টেকসে। আর দেশীয় আমেজের পোশাক পাবেন দেশি দশে।

এছাড়া অন্যান্য মার্কেটে প্রায় সব ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। তবে ছোট্ট শিশুর পোশাক কেনার সময় লক্ষ্য রাখুন আরামদায়ক কি না। দেখে নিন পোশাকের ভেতরে সুতি কাপড়ের লাইনিং আছে কি না। না হলে বাচ্চারা আরাম পাবে না। পোশাক নির্বাচনে নিজের পছন্দ চাপিয়ে না দিয়ে শিশুর পছন্দকে প্রাধান্য দিন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন