বৈদেশিক ঋণ সহায়তা কমানোর উদ্যোগ নেই : মুহিত
‘বরং বৈদেশিক সহায়তায় বড় বড় প্রকল্প নেওয়া হবে’
g ইত্তেফাক রিপোর্ট১৩ জুন, ২০১৬ ইং
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংসদকে জানিয়েছেন, বৈদেশিক ঋণ সহায়তা কমানোর কোনো উদ্যোগই সরকারের নেই, বরং বৈদেশিক সহায়তা নিয়ে এখন কাঠামোতে বিবর্তনের লক্ষ্যে বড় বড় প্রকল্প হাতে  নেয়া হবে। গতকাল রবিবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে মৌলভীবাজার-২ আসনের আব্দুল মতিনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

অথমন্ত্রী জানান, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ সহায়তা গ্রহণ করে। আর সে সহায়তা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অবকাঠামো ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ব্যয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বা দেশসমূহের কাছ থেকে অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসট্যান্স (ওডিএ) গ্রহণ করে থাকে। যার প্রায় পুরোটাই নমনীয় ঋণ কিংবা অনুদান। এছাড়া উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলদেশ এ ধরনের বৈদেশিক সহায়তা পাওয়ার অধিকারী। কারণ উন্নত দেশসমূহ তাদের জাতীয় রাজস্ব আয়ের শতকরা শূন্য দশমিক ৭ ভাগ উন্নয়নশীল দেশসমূহকে সাহায্য হিসেবে দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তবে এও ঠিক, বৈদেশিক সহায়তা ছাড়া আমাদের বাজেট বাড়ানো যেত না।

মুহিত আরো জানান, এখনো বৈদেশিক সহায়তার হিসাব অতি নগণ্য, যা জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ। বাজেটে বৈদেশিক সহায়তা মাত্র ১ দশমিক ৫ শতাংশ। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন উত্স হতে যেসব বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে এর গড় সুদের হার প্রায় ১ শতাংশ। এসকল ঋণের গড় গ্রেস পিরিয়ড ৮ বছর এবং গড়ে ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য। নমনীয় বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের মাত্রা কমালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ ঋণ পরিস্থিতির পরিমাপক সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশকে কোনো অবস্থায়ই বৈদেশিক ঋণের উপর নির্ভরশীল দেশ হিসাবে গণ্য করা হয় না।

অর্থমন্ত্রী সংসদকে আরো জানান, বাংলাদেশ সব সময়েই কঠিন শর্তের বৈদেশিক ঋণ গ্রহণকে নিরুত্সাহিত করে এবং অধিক হারে বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রথাগত নমনীয় ঋণ গ্রহণকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে। ঋণ গ্রহণ প্রক্রিয়াকরণের সময়ে ঋণের শর্ত সহজ করার প্রচেষ্টা নেয়া হয়।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন