সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ
রাস্তার অনেক অংশেই দরপত্রের নিয়ম না মেনে ১৮ ফুটের স্থলে ১৪/ ১৫ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে
সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ
দোহার উপজেলার দোহার বাজার-নিকরা আন্তঃমহাসড়কের সংস্কারের কাজে নিম্নমানের ইট, খোয়া ও পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দোহার-কাটাখালি-নিকরা-গালিমপুর-টিকরপুর সড়কের দোহার অংশে সাড়ে তিন কি.মি. রাস্তার সংস্কার কাজ চলছে।  প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ কাজের দরপত্র পান। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে কার্যাদেশ পেলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাজ শুরু করে।

রাস্তায় ব্যবহূত ইট, খোয়া ও পাথর নিম্নমানের এবং (থিকনেস) পুরুত্ব কম থাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের একজন প্রকৌশলী তাতে বাধা দিলে ঠিকাদার তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বলে অভিযোগ আছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও সওজ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, খারাপ কাজের কোনো অভিযোগ নেই।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী তারেক ইকবালের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

ঠিকাদার বলেন, কাজে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না। সওজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সব পর্যবেক্ষণ করছেন। রাস্তার পাশে জায়গা না থাকায় কোথাও প্রস্থ কম করা হয়েছে।

নিকরার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

সুতারপাড়ার ব্যবসায়ী আতাউর রহমান বলেন, রাস্তার অনেক অংশেই দরপত্রের নিয়ম না মেনে ১৮ ফুটের স্থলে ১৪/ ১৫ ফুট প্রস্থ কাজ করা হচ্ছে

সড়ক ও জনপথ বিভাগ মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আলম বলেন, কাজে  কিছু ত্রুটি হয়েছে। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

রানীনগরে রাস্তায় নিম্নমানের

কার্পেটিং, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

রানীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা জানান, নওগাঁর রানীনগর উপজেলার আবাদপুকুর-গুয়াতা ৬ কিলোমিটার সড়কে নিম্নমানের কার্পেটিং করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এতে স্থানীয় লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে রাস্তার কার্পেটিং তুলে ফেলে দিয়েছে। জানা যায় ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার আবাদপুকুর থেকে রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি ৬ কিলোমিটার রাস্তার নতুন করে কার্পেটিং করার দায়িত্ব পায় বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সিডিউল মোতাবেক যে পরিমাণ কার্পেটিং ও বিটুমিন দেয়ার কথা তা না করায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তাদের অভিযোগ সম্পন্ন হওয়া রাস্তার সিংহভাগ অংশে ভালোভাবে রোলার না দেয়ায় রাস্তার পাকা অংশ এখনই উঠে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন,  রাস্তার এই নিম্নমানের কাজ বন্ধ রাখার জন্য উপর মহলের বিভিন্ন কর্তাব্যক্তিদের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। তারা বলেন, কর্তৃপক্ষ তাদের খেয়াল-খুশিমতো কাজ করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রকৌশলী তিতুমীর হোসেন বলেন, রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ সিডিউল মোতাবেকই করা হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন