বাজারে সোনারগাঁওয়ের রসালো লিচু
বাজারে সোনারগাঁওয়ের রসালো লিচু
বাজারে আসতে শুরু করেছে সোনারগাঁওয়ের রসালো লিচু। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় স্বাদে গন্ধে ভিন্নতা থাকার কারণে সোনারগাঁওয়ের লিচুর সুনাম সব সময়ই ছিল। তাছাড়া সোনারগাঁওয়ের লিচু আগে ভাগে বাজারে আসে বলে সবার কাছে এ লিচুর আলাদা একটা কদরও রয়েছে। বৈশাখের মাঝামাঝি সময়ে পাকতে শুরু করে এখানের লিচু।

সোনারগাঁওয়ের বেশকিছু লিচু বাগান ঘুরে দেখা গেছে, বাগানের প্রায় প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় ঝুলছে কাঁচা-পাকা লিচু।

সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে  লাল টকটকে গুচ্ছ গুচ্ছ লিচুর দৃশ্য খুবই চমত্কার। বাদুড় ও কাকের উপদ্রপ থেকে লিচু রক্ষা করতে বসানো হয়েছে পাহারা। বাঁশ কিংবা টিনের তৈরি বিশেষ বাজনা বাজিয়ে উচ্চঃস্বরে শব্দ করে তাড়ানো হচ্ছে কাক ও বাদুড়। রাতের বেলায় বাগানে বাগানে জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে বৈদ্যুতিক বাতি। ফলে সোনারগাঁওয়ের প্রতিটি লিচু বাগানে এখন বিরাজ করছে উত্সবের আমেজ।

বাগান মালিক ও লিচু ব্যবসায়ীরা জানান, গাছ থেকে লিচু পেড়ে ৫০টি করে আঁটি বেঁধে বিক্রির জন্য বাজারে নেয়া হয়। বর্তমানে একশ’  লিচু ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা, কদমী লিচু ৮শ’ থেকে এক হাজার টাকা ও বোম্বাই লিচু ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সোনারগাঁও উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে প্রায় তিন শতাধিক লিচু বাগান। অধিকাংশ লিচু বাগানে গত ২-৩ বছরের তুলনায় এ বছর লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। রোদের তাপ ও খুব বেশি বৃষ্টি না হওয়ায় এবার লিচুর মুকুল খুব একটা ঝরেনি।  লিচু ব্যবসায়ী রূপন পাল জানান, এখন লিচু পাকতে শুরু করেছে। আশা করা যাচ্ছে,  এ বছর লিচুর ভালো দাম পাওয়া যাবে।

সোনারগাঁও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশেক পারভেজ জানান, সোনারগাঁওয়ে সর্বসাকুল্যে এখন লিচু গাছের সংখ্যা প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার। সোনারগাঁওয়ের মাটি ও আবহাওয়া লিচু চাষের জন্য বেশ উপযোগী। বিশেষ করে বাদামী (পাতি), কদমী ও চায়না-৩ প্রজাতির লিচু। সোনারগাঁওয়ের চাষিরা লিচু চাষে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছে। তাই দিন দিন এ এলাকার মানুষ নতুন করে লিচুর বাগান তৈরিতে  মনোযোগী হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন