যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে পটুয়াখালী জেলায় সাফল্য ৯৬ শতাংশ
পটুয়াখালী প্রতিনিধি৩০ এপ্রিল, ২০১৫ ইং
জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় পটুয়াখালী জেলায় বর্তমানে ১ হাজার ১৩২ জন রোগীকে চিকিত্সাসেবা দেয়া হচ্ছে। এ সব রোগী সনাক্তের জন্য সরকারি চিকিত্সা কেন্দ্রসহ ২৭৮টি কফ সংগ্রহ কেন্দ্র এবং তা পরীক্ষার জন্য ১৫টি পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এ চিকিত্সাসেবায় সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়াও নিয়োজিত রয়েছেন ব্র্যাকের ১০২ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ১ হাজার ১৬ জন স্বাস্থ্য সেবিকা। রোগীদেরকে সরাসরি কর্মীদের তত্ত্বাবধানে (ডট্স পদ্ধতিতে) ওষুধ সেবন করানোর ফলে পটুয়াখালী জেলায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য ৯৬ শতাংশ অর্জন সম্ভব হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার সিভিল সার্জন অফিসের ইপিআই ভবনের সভাকক্ষে এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, পটুয়াখালী প্রেসক্লাব ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে “যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকে জানানো হয়, আমাদের দেশে যক্ষ্মা একটি জাতীয় সমস্যা। ঠিকমতো চিকিত্সা করালে যক্ষ্মা সম্পূর্ণ নিরাময় হয়। কিন্তু অনিয়মিত ওষুধ সেবনের ফলে এমডিআর যক্ষ্মা রোগের সৃষ্টি হয়। এদের মাধ্যমে যারা আক্রান্ত হয় তারা সকলেই এমডিআর যক্ষ্মাক্রান্ত হয়। যা সহজে নিরাময় হয় না। এটি রোধ করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। জেলায় বর্তমানে সনাক্তকৃত এমডিআর যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা ৭ জন।

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. এ এম মজিবুল হকের সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে অতিথি ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন ব্যানার্জী, জেলা পরিবার  পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. জসীমউদ্দিন মুকুল ও বিএমএ জেলা শাখার সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, ব্র্যাকের জেলা প্রতিনিধি মো. আসাদুল্লাহ ও পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে মূল বিষয় উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ইউনিট প্রতিনিধি প্রীতি রঞ্জন দত্ত। পরে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন