সাতক্ষীরায় কাস্টমস গোডাউনের মালামাল নামমাত্র মূল্যে নিলাম
সাতক্ষীরা কাস্টমস গোডাউনে রাখা বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বিভিন্ন সময় আটক মালামাল নিলামে বিক্রি নিয়ে পুকুর চুরির অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকার মালামাল মাত্র ৩৯ লাখ ৯৩ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরা শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার ও স্থানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের যোগসাজশে নামমাত্র মূল্যে এসব মালামাল নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার সম্প্রতি অন্যত্রে বদলির আদেশ হাতে পাওয়ার পর তিনি তড়িঘড়ি করে সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কাস্টমস গোডাউনে রক্ষিত অধিকাংশ মালামাল নামমাত্র মূল্যে নিলামে বিক্রি করে দেন। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক স্টেশন নির্ধারিত মূল্যের ৬০ শতাংশের (৬০%) বেশি দাম উঠলে নিলাম দেয়া যাবে। নিলামে যদি ৬০ শতাংশ মূল্য না ওঠে তাহলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বার নিলাম ডাকতে হবে। এর পরও যদি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মনে করেন- তৃতীয় নিলামে যে দাম উঠেছে তা সন্তোষজনক নয়, তাহলে নিলাম বাতিল করতে পারবেন এবং পরে নিলাম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুনরায় এসব মালামাল নিলাম দেয়া যাবে। কিন্তু সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সাতক্ষীরা শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার ও স্থানীয় প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেটের সাথে যোগসাজশে ১৯টি লটের সব কয়টি লট নিলামে বিক্রি করে দিয়েছেন। গত ১৬ এপ্রিল ১৯টি লটের সব কয়টি লট নিলাম বিক্রির লিখিত অনুমোদনও দিয়েছেন তিনি।

সাতক্ষীরা শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার মো. আবুল কাশেম জানান, প্রথম নিলামে ৬০% দাম না উঠায় দ্বিতীয় নিলামের মাধ্যমে ১৯টি লটের সব কয়টি লট নিয়ম মেনেই বিক্রির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তৃতীয় নিলাম ডাকার সরকারি নিয়ম থাকলেও কি কারণে তৃতীয় নিলাম না ডেকে দ্বিতীয় নিলামে নামমাত্র মূল্যে মালামাল বিক্রির অনুমোদন দিলেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোন উত্তর দেননি। এক পর্যায় তিনি এ নিয়ে কোন রিপোর্ট না করার জন্য অনুরোধ জানান।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন