বোরো ধানের দরপতন কৃষকরা দিশেহারা
গত বছর ছিল প্রতি মণ সাড়ে ৭শ’ এবার ৪শ’৬০ টাকা
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি৩০ এপ্রিল, ২০১৫ ইং
গত বছর নতুন বোরো ধান ওঠার পর প্রতি মণ মোটা ধানের দাম ছিল সাড়ে ৭শ টাকা। এবার পশ্চিমের ৬ জেলায় নতুন বোরো ধান ওঠার পর প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ টাকা থেকে ৫শ টাকা।  ধানের ব্যাপক দরপতনে চাষিরা দিশেহারা। ধানের আমদানি বাড়লে আরো দরপতনের আশঙ্কা করছে চাষিরা।  অপর দিকে সেচের পানি,  কীটনাশক ও মজুর খরচসহ অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়েছে। চাষির উত্পাদন খরচ উঠছে না। জেলাগুলো হচ্ছে— কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও যশোর।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন খান জানান, এ অঞ্চলে চলতি বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার শতকরা এক ভাগ অতিরিক্ত জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। পশ্চিমের ৬ জেলায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার হেক্টরে বোরো ধান চাষ হয়েছে।

ইতোমধ্যে পুরোদমে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। ফলনও বাম্পার হচ্ছে। হাইব্রিড ধান হেক্টরপ্রতি ৪ দশমিক ৮০ টন (চাল) এবং উচ্চফলনশীল জাত হেক্টরপ্রতি ৩ দশমিক ৮ টন (চাল) ফলন হচ্ছে। তারা চাষিদের উত্পাদন বৃদ্ধিতে উত্সাহিত করে থাকেন। ধানের দামের ব্যাপারে তাদের কিছু করণীয় নেই।

ধানের চাতাল ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহের তেঁতুলতলা বাজারে সোমবার  বিআর-৩৩, রত্না, স্বর্ণাসহ মোটা জাতের ধান প্রতি মণ ৪৬০ টাকা থেকে ৫শ টাকা দরে বিক্রি হয়। অন্যান্য ধানের দর একই রকম। গত বছর বোরো ধান ওঠার পর প্রতি মণ মোটা জাতের ধানের দাম ছিল নিচে সাড়ে ৭ত্শ টাকা। চিকন ধান মিনিকেট, কাজল লতা ও বিআর-২৮-এর দাম ছিল ৮শ টাকা থেকে ৯শ টাকা পর্যন্ত। জুলাই থেকে ধানের দর পতন শুরু হয়।

জানুয়ারি মাসে মোটা ধানের দাম প্রতি মণ ৬শ টাকাতে নেমে আসে। মোটা চালের চাহিদা বাজারে কম। প্রতি কেজি মোটা চাল ২৪-২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মোটা ও চিকন চালের দাম কেজিতে পার্থক্য ১৫ টাকা। চিকন চাল ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দীর্ঘকালীন দর পতনে আগামীতে ধান চাষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে অনেক চাষি মন্তব্য করেন। এ জন্য সরকারকে ধান চাষের উপকরণের মূল্য হ্রাসের ব্যবস্থা নিতে হবে বলে কৃষকরা জানান।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন