বগুড়ার পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি
প্রতারণায় ভুয়া মালিক ও ভিসি জেল হাজতে
১৫ জুন, ২০১৫ ইং
g বগুড়া অফিস

বগুড়ার পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির মালিক পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় গোলাম রব্বানী নামে এক ব্যক্তিকে প্রতারণার মামলায় জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্দুল্লা আল মামুন তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। গোলাম রব্বানী পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান এএইচএম শাহজাহান তরুর হাইকোর্টে দায়েরকৃত মামলার রায়কে নিজের রায় হিসেবে দেখিয়ে অবৈধভাবে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তিকে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হওয়ার প্রলোভনসহ জেলায় জেলায় ভর্তি ক্যাম্পাস খোলার নামে অর্থ গ্রহণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত গোলাম রব্বানী পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির মালিক ও ভিসি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বগুড়ার শেরপুরের শ্রীরামপুরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে অফিস খোলেন। শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। শিক্ষার্থীদের টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট পাওয়ার নিশ্চয়তা দেন। ভর্তিচ্ছুক শাফি পারভেজ উক্ত ক্যাম্পাসে গিয়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে। পরে উক্ত শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ভর্তি ফি-এর নামে বিনা রশিদে নগদ ৫৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে। এ ক্ষেত্রে পরে রসিদ সরবরাহ করার আশ্বাস প্রদান করেন। পরে ভর্তির টাকা ফেরত চাইলে গোলাম রব্বানী তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়।

ফলে শিক্ষার্থী শাফি পারভেজ গত ২৮ এপ্রিল বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এ মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত গোলাম রব্বানী ইতোপূর্বে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ৩১টি অবৈধ ক্যাম্পাস স্থাপন করে অবৈধভাবে প্রচুর টাকা আয় করেন। এক পর্যায়ে অবৈধভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ক্যাম্পাস পরিচালনা করে সনদ বাণিজ্য করায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় আভিযুক্ত গোলাম রব্বানী ও তার প্রতিষ্ঠান দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়কে কালো তালিকাভুক্ত করে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৫ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন