কুমিল্লায় প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিকের বেহাল অবস্থা
২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
g  লুত্ফর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার বেশিরভাগ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বেশিরভাগের অবস্থাই বেহাল।

মহানগর ছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব পরিদর্শনে গেলেই সন্ধান মেলে ভুয়া বিশেষজ্ঞ-সার্জারি চিকিত্সক, এক্স-রে ও প্যাথলজি, সনোলজিস্ট টেকনিশিয়ান, নার্স ও আয়ার। জটিল রোগের অপারেশনেও পিছিয়ে নেই বাহারি পদবির বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নামধারী ভুয়া চিকিত্সকরা। মহানগরসহ উপজেলা পর্যায়ের বেসরকারি কিছু হাসপাতাল ও ক্লিনিকে জেলা ক্লিনিক পরিদর্শন দলের আগমনের খবর পেয়ে অনেক হাসপাতাল-ক্লিনিকের ভুয়া ডাক্তার দৌড়ে পালানোর ঘটনাও ঘটেছে।

গত প্রায় দেড় বছরে শতাধিক ক্লিনিক ও কমপক্ষে ৩৫ জন ভুয়া ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের যত্রতত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অনেক হাসপাতাল-ক্লিনিক। একই সঙ্গে চিকিত্সা সেবার অন্তরালে হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে বালুর ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে কসাই পর্যন্ত।

জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর থেকে হোমনা সড়কের প্রায় ৩ কিলোমিটারের মধ্যে কমপক্ষে ৭৫টি ক্লিনিক রয়েছে। জেলা ক্লিনিক পরিদর্শন কমিটির নেতৃবৃন্দ বিগত সময়ে ওই এলাকার আনোয়ারা সেন্ট্রাল হসপিটাল, মুক্তি মেডিক্যাল সেন্টার, গৌরীপুর আধুনিক হাসপাতাল, গৌরীপুর মডার্ণ ডায়াগনস্টিক এন্ড ডেন্টাল সেন্টার ও লাইফ হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ ৫টি ক্লিনিক বন্ধ করে দেন এবং ৩ জন ভুয়া ডাক্তার শনাক্ত করেন।

একাধিক ডাক্তার ও স্থানীয় লোকজন জানান, জেলায় ক্লিনিকের অভয়ারণ্য হিসেবে ওই এলাকাটি পরিচিত এবং সাধারণ ও জটিল রোগ নিয়ে আসা রোগীরা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হলেও ক্লিনিক মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা স্থানীয় ও প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ এসবের প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তারা আরও জানান, এ এলাকায় বালুর ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে কসাই পর্যন্ত এ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে। চিকিত্সার নামে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অসহায় রোগীদের ঠকিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণ প্রয়োজন। একই অবস্থা জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন