বিভিন্ন স্থানে চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
g ইত্তেফাক ডেস্ক

বিভিন্ন ঘটনায় গাজীপুর, নেত্রকোনা ও সিলেটে চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

গাজীপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর

মহানগরীর টঙ্গীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক একেএম এনামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। একই সাথে আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।

সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক ওরফে রহিজ (৩৫)। সে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার চেচুয়া বাসুদেবপুর এলাকার মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে।

জানা যায়, গত ২০০৩ সালের ১১ মে রাতে টেম্পু চালক রফিকুল ইসলাম তার স্ত্রী সাহিদা আক্তারকে নিয়ে টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ভাড়া বাড়িতে ঘুমাতে যান। পরদিন সকালে ওই ঘর থেকে তার স্ত্রী সাহিদা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন এবং রফিককে আটক করে।

নেত্রকোনায় শিশু হত্যার দায়ে মায়ের

চার মাসের শিশু সন্তান রাজুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে মা কবিরুন্নেছাকে যাবজ্জীবন, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে নেত্রকোনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল হামিদ এ রায় প্রদান করেন। মা কবিরুন্নেছা পলাতক।

জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলার চং নয়াগাঁও এর আব্দুল জব্বারের সাথে মজলিশপুর গ্রামের মোছাঃ কবিরুন্নেছার বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বাভাবিক সময়ের পূর্বে সন্তান জন্ম হলে শিশুটি তার নয় উল্লেখ করে স্ত্রীকে তালাক দেয় জব্বার। স্বামীর তালাক দেয়া ও সামাজিক লাঞ্ছনা সহ্য করতে না পেরে ২০০০ সালের ৫ ডিসেম্বর মা কবিরুন্নেছা চার মাসের শিশু রাজুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

স্কুলছাত্রী খুনের দায়ে দু’জনের

সিলেটের সীমান্তবর্তী কানাইঘাটে স্কুলছাত্রী স্বপ্না বেগম হত্যা মামলায় মোস্তাক এবং ইসমাইল নামের দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের দণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে তাদের। এ মামলার আরো দুই আসামি মো. মড়াই মিয়া ও হামদু মিয়াকে খালাস দেয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তাক আহমদ (৩১) উপজেলার কেওড় গ্রামের আব্দুল হাই ও ইসমাইল আলী (৩১) একই গ্রামের এবাদুর রহমানের ছেলে। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলছাত্রী স্বপ্নার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিল ঘাতক মোস্তাক। ২০০৭ সালের ২১ জুন স্বপ্নাকে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় মোস্তাক ও তার সহযোগী ইসমাইল। পরে পার্শ্ববর্তী একটি টিলায় গলা কেটে হত্যা করা হয় স্বপ্নাকে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন