সাতক্ষীরায় পাটজাত পণ্য রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা
সাতক্ষীরায় পাটজাত পণ্য রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা
সাতক্ষীরায় পাটজাত পণ্য রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। নাজমা খাতুন, স্বামী ও দুই ছেলেকে নিয়ে থাকেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ইটাগাছা পশ্চিমপাড়ার একটি খাস জমিতে। ভ্যানচালক স্বামীর একার আয়ে সংসার চলে না। এ পরিস্থিতিতে পাটজাত পণ্য তৈরির কাজ শেখেন তিনি। তৈরি করতে থাকেন পাটের ব্যাগ, পাপোশ, ওয়ালম্যাটসহ নানা পণ্য। নাজমার মতো পৌরসভার বাগানবাড়ি এলাকার সাহেলা খাতুন, সাহাপাড়ার জাহানারা খাতুন, সরকারপাড়ার ফারজানা ইয়াসমিনসহ অনেকেই তৈরি করেন পাটজাত পণ্য। আর তাদের তৈরি এসব পণ্য মানে ও গুণে অনন্য হওয়ায় রপ্তানি হচ্ছে ইতালি-জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। একই সঙ্গে বিভিন্ন পাটজাত পণ্য উত্পাদন ও সরবরাহ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন সাতক্ষীরার দরিদ্র নারীরা।

সাতক্ষীরা সদর, কলোরোয়া ও তালা উপজেলার সহস্রাধিক নারী তৈরি করেন পাটের উন্নতমানের ব্যাগ, ওয়ালম্যাট, পাপোস, শোপিস, দরজা-জানালার পর্দাসহ আকর্ষণীয় নানা পণ্য। সাতক্ষীরা পৌরসভার ইটাগাছা পশ্চিমপাড়ার ভ্যানচালক জাকির হোসেনের স্ত্রী নাজমা খাতুন জানান, সংসারের কাজের ফাঁকে তিনি পাটের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করেন। তবে ঘর ছোট বলে তিনি বড় কাজের অর্ডার নিতে পারেন না।

এদিকে পাটজাত পণ্য উত্পাদন ও রপ্তানিতে নানা সমস্যা-সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা বুনন উন্নয়ন সংস্থার কর্ণধার মামুন হাসান। তিনি বলেন, সাড়ে ৩শ’ নারীকে দিয়ে তিনি পাটের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করিয়ে নেন। এজন্য কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক দেয়া হয়। পাটজাত পণ্য উত্পাদনে ভালোমানের তোষা বা সাদা পাট প্রয়োজন। কিন্তু তোষা পাটের সংকট লেগেই থাকে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করলে পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে সম্ভাবনার দ্বার খুলে যেতে পারে।

সাতক্ষীরা পাট অধিদপ্তরের পরিদর্শক আশীষ কুমার দাস বলেন, পাট শিল্পের বিকাশে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এতে এ খাতের সমস্যা দ্রুত দূর করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন