সুন্দরগঞ্জের ডাকবাংলো সেতুটি ঝুঁকিতে নেই সংস্কারের উদ্যোগ
সুন্দরগঞ্জের ডাকবাংলো সেতুটি ঝুঁকিতে নেই সংস্কারের উদ্যোগ
গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ-মীরগঞ্জ সড়কের ডাকবাংলো সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে লাল খুঁটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারপরও অনেক ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। কিন্তু সংস্কারের উদ্যোগ নেই।

১৯৮৪ সালে গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ-মীরগঞ্জ সড়কের কন্নিপাড়া খালের ওপর সেতুটি নির্মিত হয়। প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে জেলা পরিষদ এই সেতু নির্মিত হয়েছিল। সেতুটি নির্মিত হওয়ায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শহরের সাথে পার্শ্ববর্তী রংপুর জেলার পীরগাছা ও পীরগঞ্জ উপজেলা এবং রংপুর নগরের সড়ক যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু সেতুটি নির্মাণের পর থেকে কোনো প্রকার সংস্কার করা হয়নি। ফলে সেতুটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছাদের নীচে প্লাস্টার ধসে পড়ছে। কিন্তু সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই।

সেতুটির অবস্থা বেহাল। মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করছেন। দুই একটি করে রিকশা ভ্যান চলছে। ভারী যানবাহন চলাচল করলে সেতুটি কেঁপে উঠে। দুর্ঘটনা এড়াতে সেতুর দক্ষিণ পাশে প্রবেশপথে লাল খুঁটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে যান চলছে। যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

সুন্দরগঞ্জ পৌর মেয়র আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, সড়কপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সেতুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উপজেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত সুন্দরগঞ্জ থানা ভবন, আব্দুল মজিদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, আমিনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ঐতিহ্যবাহী মীরগঞ্জ হাট। এ ছাড়া এই সেতু ব্যবহার করে তারাপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে উপজেলা শহরে আসতে হয়। কিন্তু সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষক মুকুল মিয়া বলেন, এই সড়ক দিয়ে রংপুর ও পীরগাছা উপজেলার হাজার হাজার মানুষ সরাসরি বাসযোগে গাইবান্ধা শহরে যাতায়াত করেন। গাইবান্ধা ও সুন্দরগঞ্জ থেকেও অনেক মানুষ এ পথে রংপুর ও পীরগাছায় যান। কিন্তু ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় ২০ কি.মি. ঘুরে বামনডাঙ্গা হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ফলে ওইসব এলাকার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

কলেজ ছাত্র রকিবুল হাসান বলেন, বর্তমানে অটোরিকশায় চলাচল করতে ভয় লাগছে। এই সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় বিকল্পপথে মালামাল বহনে পরিবহন খরচ বেশি পড়ছে। ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ে।

এলজিইডির সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর বলেন, সেতুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ভারী যানবাহন বন্ধে খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। খুঁটিতে লাল কালী দেওয়া হয়েছে। তাই জেলা পরিষদ এটি সংস্কার করবে।

জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সেতুটি সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন