ঠাকুরগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ চালু
ঠাকুরগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ চালু
ঠাকুরগাঁও-এ প্রাথমিক স্তরে ‘মিড ডে মিল’ কার্যক্রম চালুতে শিশুদের ভর্তির হার সন্তোষজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষকরা। তাই প্রতিটি বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। গত শনিবার পীরগঞ্জ উপজেলায় ‘মিড ডে মিল’ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব হুমায়ূন খালিদ।

ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রামাঞ্চলের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষই দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। ফলে অনেকে নিজ সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী হয়ে ওঠে না। কিন্তু গত দুই বছর যাবত্ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু হওয়ায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির চিত্র পাল্টে গেছে। এখন প্রায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে উপস্থিতির সংখ্যা শতকরা ৮০ ভাগ।

স্থানীয় বাসিন্দা সাদেকুল ইসলাম জানান, শ্রমিকের কাজ করি আমি। যা উপার্জন করি তা দিয়ে সন্তানদের মুখে তিন বেলা খাবার তুলে দেওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে যায়। তাই সন্তানদের স্কুলে যাওয়াটা আগ্রহ ছিল না তেমন। কিন্তু স্কুলে এখন ‘মিড ডে মিল’ চালু হওয়ায় প্রতিদিন সন্তানরা স্কুলে যাচ্ছে। ফলে পড়ালেখায় আগ্রহ বাড়ছে।

পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জিয়া জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে আর কোনো বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিলের’ এমন কর্মসূচি চালু ছিল না। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাসের আন্তরিকতায় অনেক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু হওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার কমে গেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবু হারেস বললেন, ‘কমিউনিটির (স্থানীয় জনগণ) সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই যে কোনো কর্মসূচি টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, হরিপুর উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ে নিজ উদ্যোগেই ‘মিড ডে মিল’ হওয়ায় আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। তাই সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আমি বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন করে মিড ডে মিল চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন