বাঘা সীমান্তের ভরা পদ্মা দিয়ে ভেসে আসছে ফেনসিডিল!
বাঘা উপজেলার ভরা পদ্মা এখন মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য আর্শীবাদ হয়েছে। নৌকায় করে বানের পানির মতই ভাসিয়ে আনা হচ্ছে হাজার হাজার বোতল ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। আর এই ফেনসিডিল শুধু বাঘাতে নয়, পুরো রাজশাহী অঞ্চল ছাপিয়ে পাচার করা হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য শহরে। বর্তমানে ফেনসিডিলের রমরমা বাণিজ্য চললেও অভিযান নেই সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড ও পুলিশ কর্মকর্তাদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সখ্যতার কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক সিন্ডিকেট।

সরেজমিন সীমান্ত এলাকা ঘুরে জানা গেছে, বর্তমানে নদীতে পানি বৃদ্ধির পর উপজেলার প্রায় অর্ধশত স্পটে হরহামেশাই চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। ভারত থেকে পদ্মা নদী দিয়ে দেদারছে আসছে ফেন্সিডিল, হেরোইন ও ইয়াবসহ গাঁজার চালান। মাদক স্পটগুলোর মধ্যে বাঘা সীমান্তের-আলাইপুর, কিশোরপুর, গোকুলপুর, মীরগঞ্জ, পাকুড়িয়া, পানিকমড়া, টিকটিকিপাড়া, ভ্যাজালির মোড়, চক ছাতারী ও সড়ক ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ সমস্ত এলাকার পার্শ্ববর্তী জেলা পাবনা, নাটোর, ঈশ্বরদী, গোপালপুর, আব্দুলপুর এমনকি রাজশাহী শহর থেকে প্রতিদিন মোটরসাইকেলে প্রভাবশালী ঘরের সন্তানরা এসে মাদক সেবন করে চলে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ মাঝে মধ্যে এদের ধরে সুবিধা ভোগ করলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে বিক্রেতারা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে এ উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক চোরাকারবারী রয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার একটি গ্রাম মীরগঞ্জে রয়েছে ৩০ জন চোরাকারবারী। যারা দীর্ঘ দিন ধরে ফেন্সিডিল ও হেরোইন ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। এদের মধ্যে চারঘাট-বাঘা ও লালপুরসহ বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে ১৮ জনের নামে। এর বাইরেও সীমান্ত এলাকার কিশোরপুর, আলাইপুর ও হরিরামপুরসহ অন্যান্য এলাকায় রয়েছে আরো শতাধিক চোরাকারবারী।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) ধীরেনন্দ্রনাথ বলেন, বাঘা সীমান্ত এলাকা। এখানে পুলিশের একার পক্ষে চোরাচালান রোধ করা সম্ভাব নয়। নদীতে পানি বাড়ার পর আগের চেয়ে চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে এমন খবর লোকমুখে শোনা যাচ্ছে। এ জন্য থানা পুলিশকে চোরাচালান রোধে সক্রিয় করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন