বাউফলে বাল্যবিয়ে বেড়েই চলছে
০১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
g বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

সমাজিক নিরাপত্তার অভাব, যৌতুক প্রথা, দারিদ্রতা ও কাজীদের অসহযোগিতার কারণে বাউফলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। যে কারণে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে চলছে।

পৌর শহর কিংবা গ্রামে প্রতিনিয়ত কিশোরী মেয়েদের বিয়ে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই পুতুল খেলার মতো ওই বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটছে। যে বয়সে ছেলে-মেয়েদের বই-খাতা হাতে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা এবং সাথীদের নিয়ে বাড়ির উঠোন কিংবা বাগানে খেলাধুলা করবে, ঠিক সেই বয়সেই লেখাপড়া কিংবা খেলাধুলার পরিবর্তে স্বামীর বাড়িতে সংসার বুঝে নেয়ার দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া হয়।

বাউফল উপজেলার কয়েকটি চর এলাকাসহ গ্রাম অঞ্চলে ১২/১৩ বছর বয়সের কিশোরীদের বিয়ে দেয়া হচ্ছে। বিয়ের এক বছর যেতে না যেতেই অনেকেই আবার মা হয়েছে। একটি বেসরকারি সংস্থার জরিপে দেখা যায়, ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাউফল উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার বিয়ে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। এর মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ পাত্র-পাত্রীর বয়সই ১৮’র নিচে।

বাল্যবিবাহ বাড়ার কারণ সম্পর্কে বাউফল উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কাজীদের সঙ্গে আলাপ করলে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া যায়। চেয়ারম্যানদের বক্তব্য হচ্ছে- কাজী সাহেবরা অর্থের লোভে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং জন্মনিবন্ধন কার্ড ছাড়াই বিবাহের কাজ সম্পাদন করেন। অপরদিকে কাজীরা বলেন, চেয়ারম্যানদের দেয়া বয়স সার্টিফিকেট অনুসারেই বিবাহকার্য সম্পাদন করা হয়।

উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের মহিলা সদস্য আফরোজা আক্তার বলেন, মেয়েদের সামাজিক নিরাপত্তা নেই। ফলে অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে বিয়ে  দেন।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:০৪
যোহর১১:৪৮
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২৪সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পড়ুন