জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে তিন শতাধিক বসতবাড়ি বিলীন
জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে তিন শতাধিক বসতবাড়ি বিলীন
স্রোতস্বিনী কুশিয়ারা নদীর অব্যাহত ভাঙনের ফলে  উপজেলার রানীগঞ্জ, পাইলগাঁও ও আশারকান্দি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের প্রায় ৩ শতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভাঙন কবলিত এলাকার গরীব অসহায় জনসাধারণ।

প্রতিদিনই রাক্ষুসী কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রৌয়াইল, বালিশ্রী, আলমপুর, নোয়াগাঁও, বাঘময়না, পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, পাইলগাঁও, স্বাধীনবাজার, রানীনগর, সৈয়দপুর এবং আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেচী বাজার, বড়ফেচী গ্রামসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের ঘরবাড়ি ভিটে মাটি নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে। নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে ৩ ইউনিয়নের অর্ধেকের চেয়েও বেশি অংশই নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। সরকার ভাঙন প্রতিরোধে প্রদক্ষেপ নিলেও রাক্ষুসী কুশিয়ারার ভাঙন থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেচী এলাকার নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলামসহ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। পরিদর্শন শেষে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কবল থেকে উপজেলার গ্রামগুলো রক্ষায় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেচী গ্রামের বাসিন্দা মসহুদ আহমদ জানান, কুশিয়ারা নদী ভাঙনের ফলে বড়ফেচী বাজার, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মজলুল হক জানান, ‘কুশিয়ারা নদীর ভাঙন দিন দিন বেড়েই চলছে। আমার ৩টি বাড়িঘরসহ জমি-জমা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আরেকটি নতুন বাড়ি তৈরি করে বসবাস করে আসছি।’ আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা গোলাম সারওয়ার জানান, প্রতিদিনই কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে যে সব স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এ সবের মধ্যে অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের বসবাস।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন