শ্রীপুরে ঘরে ঘরে বস্তা ভর্তি রোগমুক্তির দাওয়াই!
শ্রীপুরে ঘরে ঘরে বস্তা ভর্তি রোগমুক্তির দাওয়াই!
শ্রীপুরের দরগার চালা গ্র্রামের প্রত্যেকটি বাড়ির উঠোনে চলছে মানুষের রোগমুক্তির দাওয়াই সংরক্ষণের কাজ। শুকানোর পর যাচাই বাছাই শেষে চলছে বস্তাবন্দীর কাজ।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছোট বড় বন জঙ্গল, বাড়ির আঙিনা, পরিত্যক্ত ক্ষেতের আইল আর পুকুর পাড়েই জন্মে মানুষের জটিল ও কঠিন রোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার ভেষজ ঔষধির গাছ-গাছড়া, গুল্ম ও লতাপাতা। এসব রোগমুক্তির দাওয়াই সংগ্রহ করে অনেক নারী-পুরুষ এখন স্বাবলম্বী হচ্ছেন। উপজেলার বরমী ইউনিয়নের দরগাচালা গ্রামের প্রায় ৩শ’ পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে রয়েছে ইউনানী, হারবাল গাছ-গাছড়া সংগ্রহের কাজে। এ কাজ তাদের দিয়েছে অর্থ ও সম্মান।  অনেকের কর্ম সৃষ্টি করে জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করেছে বনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা অচেনা নাম না জানা অনেক ভেষজ গুণাবলীর বনজ গুল্ম লতা গাছ-গাছড়া। আশপাশের ২ সহস্রাধিক লোকের সরাসরি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে এ বনজ ঔষধি গাছ-গাছড়া।

দরগাচালা গ্রামের প্রসিদ্ধ হার্বস(শুকনা ওষুধ সমূহ) ব্যবসায়ী আইনাল হক ফকির জানান, আমার দাদা মরহুম ওয়াহেদ আলী ফকির এ অঞ্চলে বনের ভিতরে ঘুরে ঘুরে গাছ-গাছড়ার ওষুধ সংগ্রহ করেছেন। তিনি এ অঞ্চলে একজন প্রসিদ্ধ হেকিম হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তার সংগ্রহশালা থেকে শক্তি সাধনা, হামর্দদের মতো বড় বড় ঔষধি প্রতিষ্ঠান হার্বস সংগ্রহ করে তাদের ওষুধ তৈরি করতো। পরে আমার বাবা হেকিম আবদুল কাদির ফকির দাদার হাত ধরে এ পেশায় আসেন। এখন আমিও এ পেশায় জড়িয়ে আছি।

ঔষধি লতাপাতা সংগ্রহকারী মুনতাজ উদ্দিন জানান, সেপ্টেম্বর থেকে ফ্রেব্রুয়ারি এ ছয় মাস ওষুধ সংগ্রহের উত্তম সময়। এ সময়টাতে গ্রাম এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন-জঙ্গল থেকেও ওষুধ সংগ্রহ করা হয়। অর্জুনের ছাল, লজ্জাবতি, নিমের পাতা ছাল, শাপলা, কন্টি কাঁটাসহ অনেক ওষুধ সংগ্রহ করা হয়।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন