বালাগঞ্জে কোটি টাকার অডিটরিয়াম এখন গণশৌচাগার!
ওসমানীনগর (সিলেট) সংবাদদাতা০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
বালাগঞ্জে কোটি টাকার অডিটরিয়াম এখন গণশৌচাগার!
কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বালাগঞ্জ এমএ খাঁন অডিটরিয়ামটি এখন প্রায় গণশৌচাগারে পরিণত হয়েছে। ব্যয়বহুল অডিটরিয়ামটি উদ্বোধনের পর থেকে অযত্নে আর অবহেলায় পড়ে আছে।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতির ফলে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই ভবনের একাধিক স্থানে ফাঁটল দেখা দেয়। টুকরো-টুকরো হয়ে খুলে পড়ছে পলেস্তরা। বর্তমানে এটি জনসাধারণের কোনো উপকারে আসছে না। এমনকি উদ্বোধনের পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো ধরনের রংয়ের কাজও করা হয়নি। পুরনো রং ও চুনকাম খসে পড়ছে। ভেতরের আসবাবপত্রগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। ভেতর ও বাইরে লাইটিং ব্যবস্থা নেই। ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর অডিটরিয়ামটির পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়। সিলেট জেলা পরিষদের মাধ্যমে এক কোটি টাকা ব্যয়ে অডিটরিয়ামের পুনঃনির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়।

অডিটরিয়ামটির চারপাশে ঝোপ-জঙ্গল ও ডোবা থাকায় অপরিছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে। অডিটরিয়াম লাগোয়া বাস ও সিএনজি স্ট্যান্ডে অবস্থানকারী লোকজন ও যাত্রী বাউন্ডারির ভেতরে প্রবেশ করে প্রাকৃতিক কাজ সারেন। ফলে এটি এখন গণশৌচাগারে পরিণত হওয়ায় এখানে দুর্গন্ধময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, অডিটরিয়ামটির প্রধান সমস্যা হচ্ছে শব্দ দূষণ। শব্দ দূষণের কারণে ভেতরে অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয় না। মাইক অথবা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করলে ভেতরে খুবই বিরক্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তাছাড়া ছোট মাইক বা স্পিকার লাগিয়ে অনুষ্ঠান করতে চাইলে অতিমাত্রায় প্রতিধ্বনির ফলে কোনো কিছুই বোঝা যায় না। এতে মানুষজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। এতো সমস্যার মধ্যেও অডিটরিয়ামের হল ভাড়া দুই হাজার টাকা। মাঝে-মধ্যে দুই একটি অনুষ্ঠান হলেও ভাড়ার টাকা সরকারি কোষাগারে অনেক সময় জমা করা হয় না বলে জানা গেছে।

সিলেট জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বলেন, অডিটরিয়ামের ভূমি দখল ও অন্যান্য সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন