সাত চিকিত্সক দিয়ে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকসহ ২১ জন চিকিত্সকের পদ থাকলেও মাত্র সাতজন চিকিত্সক দিয়ে চলছে প্রায় তিন লাখ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা। ডাক্তার সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে চিকিত্সাসেবা। কর্মরত চিকিত্সকরা এ বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিত্সাসেবা প্রদানে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছেন। চিকিত্সক সংকটের কারণে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী বানারীপাড়া ও নাজিপুর উপজেলা থেকে রোগীরা এখানে চিকিত্সা নিতে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এছাড়াও ১০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও প.প কেন্দ্রে চারজন ডাক্তারের পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে মেডিসিন, সার্জারি, গাইনী, এনেসথেসিয়া, শিশু, চর্ম, ইএনটি, চক্ষু, কার্ডিওলজিস্ট, অর্থপেডিকস বিষয়ের বিশেষ্জ্ঞ চিকিত্সকের পদ থাকলে শুধু অর্থপেডিকস বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক কর্মরত রয়েছেন। ৯ জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পদ দীর্ঘদিন যাবত্ শূন্য থাকায় চিকিত্সাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলাবাসী। হাসপাতালটিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকলেও সার্জারি বিশেষজ্ঞ এবং এনেসথেসিয়া বিশেষ্জ্ঞ চিকিত্সক না থাকায় সিজারিয়ান অপারেশনসহ কোনো জটিল অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিশেষ করে ডেলিভারি রোগীরা সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য প্রাইভেট ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হয়। একদিকে রোগীদের যেমন বাড়তি টাকা গুনতে হয়। অপরদিকে হাসপাতালের মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। দীর্ঘদিন যাবত্ এক্স-রে মেশিনটি অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং এক্স-রে মেশিন অপারেটর পদটিও শূন্য রয়েছে। হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝে মাঝে তা বিকল হয়ে পড়ে। ফলে অনেক সময় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের  বরিশালে প্রেরণে চরম সমস্যায় পড়তে হয়। চিকিত্সক সংকটের ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো.তানবীর আহমেদ সিকদার ইত্তেফাককে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। চিকিত্সক সংকট দূর হলে এ জনপদের রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে তিনি জানান।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন