নানা সমস্যায় জর্জরিত চাখার ফজলুল হক কলেজ
২৮ এপ্রিল, ২০১৭ ইং
বানারীপাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা

নানা সমস্যায় জর্জরিত বানারীপাড়ার চাখার সরকারি ফজলুল হক কলেজ। দেখার যেনো কেউ নেই।

অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার বাঘ খ্যাত শের-ই বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হক দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৯৪০ সালে তার এলাকা বানারীপাড়ার চাখারে ৩৫ একর জমির ওপর নিজ নামে ফজলুল হক কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়।

এ কলেজে বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, হিসাব বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনাসহ নয়টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে। তারপরও পুরনো সেই গৌরবে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। কলেজে বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৫শ’তে নেমেছে। অন্তহীন সমস্যা ও সংকটে কলেজটি অনেকটা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে।

প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত কলেজের তিনতলা ভবনের পলেস্তারা খসে পড়েছে এবং দেয়াল ও ছাদে অসংখ্য ফাটল সৃষ্টি হয়ে বেহাল হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি নামলেই ছাদ চুঁইয়ে পানি শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পড়ে একাকার হয়ে যায়। ফলে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এছাড়া ভবন ও কক্ষ স্বল্পতার কারণে পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম সফিউর রহমান জানান, কলেজে অবকাঠামো ও জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করছে। তার বাসভবন ও ছাত্রাবাস জরাজীর্ণ ভূতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে কলেজে ১৮টি প্রভাষক, চারটি সহযোগী অধ্যাপক, চারটি প্রদর্শক, একজন লাইব্রেরিয়ান, একজন ক্রীড়া শিক্ষক, ১৩টি চতুর্থ শ্রেণি ও পাঁচটি তৃতীয় শ্রেণির পদ খালি রয়েছে। তিনি জানান, গত বছরের ১৩ নভেম্বর পাঁচতলা বিশিষ্ট দুটি একাডেমিক ভবন, তিনতলা বিশিষ্ট দুটি ছাত্র ও ছাত্রী নিবাস নির্মাণ, অধ্যক্ষের কোয়ার্টার সংস্কার এবং আসবাবপত্রের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে আবেদন করেছেন। কিন্তু গত ছয় মাসেও সেখান থেকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৮ এপ্রিল, ২০২০ ইং
ফজর৪:০৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২৮
এশা৭:৪৫
সূর্যোদয় - ৫:২৭সূর্যাস্ত - ০৬:২৩
পড়ুন