বেতাগীতে কর্মস্থলে ফিরতি লঞ্চে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি
১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
g বেতাগী (বরগুনা) সংবাদদাতা

বেতাগীতে ঈদ উত্সব শেষে কর্মস্থলে ফিরতি লঞ্চ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বেতাগী থেকে ঢাকাগামী লঞ্চগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই না থাকায় তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের পাশাপাশি এসব লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ফলে দুই মিলিয়ে সাধারণ যাত্রীদের কষ্টের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

বরগুনা ভায়া বেতাগী রুটে চলাচলকারী যুবরাজ-৪, কিং সম্রাট-২, আল্লাহর মর্জি, সুন্দরবন-২, সুন্দরবন-৫, পূবালী-১, যুবরাজ-২ ও মৌসুমী-২ নামের কয়েকটি লঞ্চ বরগুনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। স্থানীয়রা জানায়, ৩টা থেকে ৬টার মধ্যে আগে-ভাগে লঞ্চগুলো বেতাগী ঘাটে এসে পৌঁছে এবং এতগুলো লঞ্চ চলাচল করলেও আগের চেয়ে ভালো লঞ্চ ও উন্নত সেবার কারণে যাত্রী বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আগেই প্রথম শ্রেণির কেবিনগুলো বুকিং হয়ে যাওয়ায় কেবিন পাওয়া তো দূরের কথা ডেকেও জায়গা মিলছে না। লঞ্চের স্টাফরা জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত তাদের স্টাফ কেবিনগুলোও খালি নেই। এর আগে বৃহস্পতিবার থেকে বরগুনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়ের আগেই ঘাট ছেড়ে যাওয়ায় ঢাকাগামী অনেক যাত্রী যেতে পারেনি। এমনকি প্রথম শ্রেণির কোনো কোনো কেবিনের যাত্রীও যেতে পারেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেবিন যাত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন অভিযোগ করেন, কেবিনের যাত্রী হয়েও ট্রলার নিয়ে বিষখালী নদীর মাঝে গিয়েও তিনি লঞ্চে উঠতে পারেননি। ডেকের যাত্রী মো. আজাদ, মো. সুমন ও নজরুল ইসলাম তারাও একই অভিযোগ করেন। যুবরাজ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. শাহারুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত যাত্রী হওয়ায় সামাল দিতে পারছে না।

লঞ্চ কর্তৃপক্ষ তাই যাত্রী না নিয়ে ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। গত শনিবার দুপুরে কিং সম্রাট লঞ্চের সুপারভাইজার আব্দুল খালেক বলেন, লঞ্চে যে যেভাবে পারছেন উঠে যাচ্ছেন। অতিরিক্ত যাত্রী না ওঠার জন্য অনুরোধ করলেও কে কার কথা শুনছে। ফলে একদিকে যেমন দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি লঞ্চ কর্তৃপক্ষের ঝুঁকির মধ্যে যাত্রী পরিবহন করতে হচ্ছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৪:২৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:২৩
মাগরিব৬:১০
এশা৭:২৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৪সূর্যাস্ত - ০৬:০৫
পড়ুন